টেল-এন্ডারদের ব্যাটিং দেখে স্বীকৃত ব্যাটাররা কি লজ্জা পেলেন? এই প্রশ্নের উত্তরটা হয়তো অজানায় থাকবে, তবে যে অবস্থান থেকে ম্যাচটা সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখেছিল, তার জন্য শেষদিকের ব্যাটাররা সাধুবাদ পেতেই পারেন। যদিও ফলাফল নির্ধারণে তা কাজে আসেনি। দিনশেষে আক্ষেপ হয়ে থাকল ১৬ রানের পরাজয়টা।
চট্টগ্রামে টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নাসুমের আটশাটো বোলিংয়ে পাওয়ারপ্লেতে ক্যারিবীয়রা তোলে ৩৫ রান। তবে উইকেট সংখ্যা অক্ষুণ্ণ রাখে তারা। শেষটাতে ওপেনিং থেকে আসে ৫৯ রান। ৮২ রানের মাথায় টানা দুই বলে দুই শিকার করেন তাসকিন আহমেদ। যা ক্যারিবীয়ানদের বড় পুঁজি গড়তে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।
তবে শাই হোপ এবং রোভম্যান পাওয়াল থিতু হয়ে গেলেন ক্রিজে। সুযোগ পেলেই বল পাঠালেন বাউন্ডারির বাইরে। ওই জুটির কাছেই শেষদিকে অসহায় হয়ে গেল মুস্তাফিজ, সাকিবরা। যে রান ১৫০ ছুঁতেই হিমশিম খাচ্ছিল তা গিয়ে দাঁড়াল ১৬৫-এ। স্রেফ কয়েক বলের ব্যবধানেই বদলে গেল ম্যাচের চিত্র।

বাংলাদেশের লক্ষ্যটা ছিল ১৬৬ রান। তানজিদ তামিমের শুরুটাও হলো দুরন্ত। তবে রোমারিও শেফার্ডের উড়ন্ত ক্যাচে পাঁচ বল খেলে থেমে গেল ১৫ রানে। এরপর থেকেই চিরায়িত ব্যাটিং ধস নেমে এলো টাইগার শিবিরে।
লিটন দাস, শামীম পাটোয়ারি, সাইফ হাসানরা ব্যর্থ হলেন, ভেঙে পড়ল পুরো ব্যাটিং অর্ডারটা। উইন্ডিজ বোলাররা উৎসব-নৃত্যে মেতে উঠলেন। নামজাদা ব্যাটাররা যখন ব্যর্থ হলেন, তাঁদের লজ্জা দিলেন সাকিব-নাসুমরা। ৭৭ রানে ছয় উইকেট হারানো অবস্থায় প্রতি-আক্রমণে গেলেন সাকিব। করলেন ৩৩ রান।
হৃদয় ফিরে যাওয়ার পর নাসুমের ব্যাট থেকে এলো আরও ২০ রান। শেষদিকে সামান্য হলেও সম্ভাবনা দেখালেন টেলএন্ডাররা। তবে তাতে আর কাজের কাজ হয়নি। ১৪৯ রানেই থেমে যেতে হলো বাংলাদেশকে।











