একাদশে ফিরেই রাবেয়ার বাজিমাত!

বাংলাদেশ দল যখন নতুন বলে উইকেট পেয়েও মিডল ওভারে বোলিং নিয়ন্ত্রণ রাখতে হিমশিম খাচ্ছিল, ঠিক তখনই ত্রাণকর্তা হয়ে আবির্ভূত হলেন লেগ-স্পিনার রাবেয়া খান।

গত ম্যাচে একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন। কিন্তু একাদশে ফিরেই দেখিয়ে দিলেন বাংলাদেশ নারী দলের বোলিং আক্রমণে তার উপস্থিতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ দল যখন নতুন বলে উইকেট পেয়েও মিডল ওভারে বোলিং নিয়ন্ত্রণ রাখতে হিমশিম খাচ্ছিল, ঠিক তখনই ত্রাণকর্তা হয়ে আবির্ভূত হলেন লেগ-স্পিনার রাবেয়া খান।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্কোয়াডে ফিরেই স্পিনের জাদু দেখালেন তিনি। দুর্দান্ত লাইন ও লেংথে প্রতিপক্ষের মিডল ও লোয়ার-মিডল অর্ডারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন তিনি। নিজের নির্ধারিত চার ওভারে মাত্র ১৪ রান খরচায় তিন উইকেট শিকার করেন তিনি।

আগের ম্যাচগুলোতে মারুফা আক্তাররা পাওয়ারপ্লেতে নতুন বলে উইকেট এনে দিলেও মিডল ওভারে কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। আজও পাওয়ারপ্লেতে মারুফা জোড়া আঘাত হানলেও, মাঝের ওভারগুলোতে ম্যাচের মূল মোড় ঘুরিয়ে দেন রাবেয়া।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই পাাঁচ রানে থাকা রিনিথা রজিতকে উইকেটের পেছনে জুয়াইরিয়া ফেরদৌসের ক্যাচ বানিয়ে প্রতিপক্ষের প্রথম মিডল অর্ডার জুটিকে আলাদা করেন তিনি।

এরপর সেট হয়ে যাওয়া হিনা হোতচান্দানিকে সাজঘরে ফিরিয়ে আরব আমিরাতকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন তিনি। শেষদিকে ইন্দুজা নন্দকুমারের উইকেটও যুক্ত হয় রাবেয়ার নামের পাশেই।

​দল থেকে বাদ পড়ার পর এভাবে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ঘুরে দাঁড়ানো যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্যই বড় স্বস্তির। রাবেয়া খান কেবল দলের সেমিফাইনাল যাত্রা সহজ করেননি, বরং টিম ম্যানেজমেন্টকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখলেন – যেকোনো চাপের পরিস্থিতিতে মিডল ওভারে স্পিন আক্রমণে তিনি কতটা নির্ভরযোগ্য।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link