বল হাতে ঠিক নিজের কাজটাই করেছেন মারুফা!

সেমিফাইনালে জায়গা পেতে হলে তাই বল হাতে মারুফা আক্তারকেই কিছু একটা করতে হতো,  আর মাঠের লড়াইয়ে তিনি ঠিক সেটাই করে দেখালেন।

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পুঁজিটা ছিল একেবারেই সামান্য। জিততে হলে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে করতে হতো মাত্র ১০৪ রান। সেমিফাইনালে জায়গা পেতে হলে তাই বল হাতে মারুফা আক্তারকেই কিছু একটা করতে হতো,  আর মাঠের লড়াইয়ে তিনি ঠিক সেটাই করে দেখালেন।

অল্প রান ডিফেন্ড করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ধ্বংসাত্মক বোলিংয়ের এক দুর্দান্ত প্রদর্শন দেখান মারুফা আক্তার। ব্যাক্তিগত চার ওভার বোলিং করে মাত্র ২.২৫ ইকোনমিতে নয় রান দিয়ে তুলে নেন মূল্যবান দুইটি উইকেট।

​ম্যাচের প্রথম ওভারেই বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছিলেন তিনি। ইনিংসের মাত্র চতুর্থ বলেই ইন-সুইংগার ডেলিভারিতে আমিরাত অধিনায়ক ইশা ওজাকে প্লেড অন করে বোল্ড করেন তিনি।

এরপর পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই আবার আঘাত হানেন এই তরুণ পেসার। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে মারুফার আউটসুইঙ্গারে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে নিগার সুলতানার ক্যাচে পরিণত হন সামাইরা ধার্নিধারকা।

মারুফার তৈরি করা এই মারাত্মক চাপের সুবিধা নিয়ে বাকি বোলাররাও প্রতিপক্ষকে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতকে চেপে ধরে ৩৪ রানের বড় জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link