যে গোলটা মায়ের জন্য!

‘মমস নেভার ডাই, ইউ আর অলওয়েজ ইন মাই হার্ট।’ গোল করার পর আজারবাইজানের অধিনায়ক একটা টি-শার্ট দেখালেন, তাতে লেখা ছিল এই বার্তা। চোখের কোণে গড়িয়ে পড়ছে রঙহীন জল। গোলটা উৎসর্গ করলেন প্রিয় মাকে। এমন দৃশ্য দেখা গেল ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের আলো ঝলমলে মাঠে।

‘মমস নেভার ডাই, ইউ আর অলওয়েজ ইন মাই হার্ট।’ গোল করার পর আজারবাইজানের অধিনায়ক একটা টি-শার্ট দেখালেন, তাতে লেখা ছিল এই বার্তা। চোখের কোণে গড়িয়ে পড়ছে রঙহীন জল। গোলটা উৎসর্গ করলেন প্রিয় মাকে। এমন দৃশ্য দেখা গেল ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের আলো ঝলমলে মাঠে।

ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় তখন সবকিছু স্তব্ধ হয়ে যায়। ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের গ্যালারির গর্জন থামিয়ে দেয় একটা গোল। ক্রসে আসা বলটাকে হেডের মাধ্যমে জালে পাঠালেন অধিনায়ক জাফারজাদা সেভিনজ।

এরপর উদযাপন করলেন গোল, তবে সেটা একটু বিশেষভাবে হলো। মাটিতে বসে পড়লেন তিনি, সতীর্থরা এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরলো। এরপরই ডাগআউট থেকে কেউ একজন এসে একটা সাদা টি-শার্ট হাতে দিয়ে গেল। সতীর্থদের সাথে ফ্রেমবন্দি হলেন, এরপর সবার থেকে আলাদা হয়ে ক্যামেরার লেন্সে মেলে ধরলেন টি-শার্টটা।

প্রিয় মাকে হারানোর বেদনা যেন ঠিকরে বের হলো চোখ দিয়ে। যেন সমস্ত বাঁধ ভেঙে সে স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে গেল একটা মলিন সন্ধ্যাকে। ওখানে লেখা ছিল, ‘মায়েরা কখনো মারা যান না, তুমি সবসময় আমার মনে আছো।’

শুধু ওই গোলটা নয়, শেষপর্যন্ত মাকে ম্যাচটাই উৎসর্গ করলেন। তাঁর নেতৃত্বে যে দলও পেয়েছে জয়। ২-১ ব্যবধানে বাংলাদেশকে হারিয়ে হাটু গেড়ে বসে পড়লেন মাটিতে। দুই হাত উপরে তুলে আরও একবার উৎসর্গ করলেন মাকে। সবকিছু ছাপিয়ে বোধহয় একটাই দৃশ্য সবাই দেখল, ‘মায়েরা কখনো মারা যান না।’

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link