চরম নাটকীয়তার ম্যাচে ভাইকিংয়ের বিরুদ্ধে ড্র করল বায়ার্ন

প্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও টানা তিন গোলে ম্যাচে এক নাটকীয় লিড নেয় বায়ার্ন। তবে শেষ মুহূর্তে ফের গোল হজমে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ভিনসেন্ট কোম্পানির দল।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নাটকীয় এক রাতে নরওয়েজিয়ান ক্লাব ভাইকিং এফকে ও বায়ার্ন মিউনিখের ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে। প্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও টানা তিন গোলে ম্যাচে এক নাটকীয় লিড নেয় বায়ার্ন। তবে শেষ মুহূর্তে ফের গোল হজমে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ভিনসেন্ট কোম্পানির দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই বায়ার্নের হাই-লাইন ডিফেন্সের দুর্বলতাকে অস্ত্র বানায় ভাইকিং। মাত্র দুই মিনিটের মাথায় জ্লাতকো ত্রিপিচের করা কর্নার ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে হেডে বল জালে জড়িয়ে স্বাগতিকদের দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন জিয়ান্নি স্টেনসনেস।

বায়ার্ন যখন অফসাইড ট্র্যাপ ও হাই-লাইন ডিফেন্স সামলে খেলায় ফেরার চেষ্টা করছিল, তখন ৩৮ মিনিটে আরেকটি কাউন্টার অ্যাটাকে ভাইকিং ব্যবধান দ্বিগুণ করে। এরিক বোটহাইমের থ্রু পাস থেকে বল পেয়ে পিটার ক্রিস্টিয়ানসেন চমৎকার বাম পায়ের শটে বায়ার্নের ডিফেন্ডারদের পেছনে থাকা খালি জায়গা কাজে লাগিয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন।

বিরতির পর ভিনসেন্ট কোম্পানির দল ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তন এনে উইংয়ে ধার বাড়ায় এবং অ্যালফনসো ডেভিসকে মাঠে নামায়। ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে ম্যাচে ফেরান হ্যারি কেন।

এর ঠিক পরপরই ৬০ মিনিটে জশুয়া কিমিচের কর্নার থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ২-২ সমতায় ফেরান কেন। এরপর ৭১ মিনিটে কনরাড লাইমারের বাড়ানো পাস থেকে লুইস দিয়াজ গোল করলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বায়ার্ন।

ম্যাচের ৭৪ মিনিটে মাইকেল ওলিসে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দশ জনের দলে পরিণত হয় বায়ার্ন। এই সুযোগে ভাইকিং তাদের আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাচের ৯০ মিনিটে ত্রিপিচের আরও একটি নিখুঁত ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান বদলি নামা হার্মান হাউগেন। শেষ মুহূর্তে এই গোলটিই ভাইকিংয়ের জন্য মহামূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link