ইউনাইটেডকে হারিয়ে অ্যাতলেটিকোর দাপুটে জয়

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ডিয়েগো সিমিওনের অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠ রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিতানোয় সিমিওনের সুসংগঠিত হাই-প্রেসিং ও ফ্লুইড সিস্টেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ  হারিয়ে ফেলে মাইকেল ক্যারিকের দল।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ডিয়েগো সিমিওনের অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠ রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিতানোয় সিমিওনের সুসংগঠিত হাই-প্রেসিং ও ফ্লুইড সিস্টেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ  হারিয়ে ফেলে মাইকেল ক্যারিকের দল।

ম্যাচের প্রথম মিনিটেই অ্যাতলেটিকোর ৪-৪-২ সিস্টেমের সুফল মেলে। অ্যালেক্স বায়েনার বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে ইউনাইটেড ডিফেন্সের ফাঁক গলে বল জালে পাঠান পাবলো বারিওস। ক্যারিকের ৪-২-৩-১ ফর্মেশনের ‘ডাবল পিভট’ ইউরি তিলেমান্স ও কার্লোস বালেবা অ্যাতলেটিকোর মিডফিল্ড প্রেসের সামনে সম্পূর্ণ অকার্যকর ছিলেন। অন্যদিকে ব্রুনো ফার্নান্দেসকে কড়া পাহারায় নিষ্ক্রিয় করে রাখা এবং অ্যালেক্স গ্রিমালদো-মার্কোস ইয়োরেন্তের উইং-ওভারলোডে ইউনাইটেডের রক্ষণে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি হয়।

অ্যাতলেটিকোর উইং-ওভারলোড ও দ্রুত কাউন্টার-অ্যাটাকের চাপের মুখে ৭৪তম মিনিটে মেজাজ হারিয়ে জোনাথন ডেভিডকে গোলমুখী দৌড়ের সময় মারাত্মক ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার লেনি ইওরো। দশ জনের দলে পরিণত হওয়ায় ক্যারিকের সমতায় ফেরার সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দশ জনে নেমে যাওয়ার পরপরই সিমিওনে তাঁর কৌশল পরিবর্তন করেন। অ্যাতলেটিকো পজেশন ভিত্তিক ফুটবল থেকে সরে এসে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে ফাঁকা জায়গা বের করতে কাউন্টার-অ্যাটাকে জোর দেয়। বদলি হিসেবে নামা আডেমোলা লুকম্যান ও জোনাথন ডেভিডের কম্বিনেশন দলের গতি বাড়িয়ে দেয়। ৭৯তম মিনিটে ডেভিডের শট গোলরক্ষক সেভ করলেও রিবাউন্ড থেকে গোল করে আডেমোলা লুকম্যান ২-০ গোলের নিশ্চিত জয় এনে দেন।

​ম্যাচ পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায় অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ৫৮ শতাংশ বল পজেশন রেখে ১১টি শটের মধ্যে ছয়টি লক্ষ্যে রাখে। বিপরীতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৪২ শতাংশ পজেশন নিয়ে নয়টি শট নিলেও মাত্র দুইটি শট লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।

পাস একুরেসি এবং ট্যাকটিকাল শৃঙ্খলায় সিমিওনের দল যোজন যোজন এগিয়ে ছিল। এই হারের ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ জয়হীন রইল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। চ্যাম্পিয়নস লিগে টিকতে হলে মাইকেল ক্যারিককে তাঁর মিডফিল্ড স্ট্রাকচার ও ফুলব্যাক কভারেজ নিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link