পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে স্থান পেয়েছেন বাবর আজম। কিন্তু তার টি-টোয়েন্টি পারফরমেন্স তো মোটেও সন্তোষজনক নয়। এই তো সদ্য অস্ট্রেলিয়ান বিগ ব্যাশে খেলতে গিয়ে রীতিমত অপমানিত হয়েছেন তিনি। যার কারণ ছিল ঠিকঠাক বাউন্ডারি হাঁকাতে না পারা। সেই খেলোয়াড়কে পাকিস্তান কোন যুক্তিতে নিয়েছে বিশ্বকাপ দলে? যুক্তি অবশ্যই আছে। স্রেফ নামের ভারে নয়, প্রয়োজনের খাতিরেই বিশ্বকাপের দলে বাবর আজম।
পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দল থেকে রীতিমত নির্বাসনে চলে গিয়েছিলেন বাবর আজম। তাকে বাদ রেখে পরিকল্পনার নয়া ছক কষতে চেয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট। এরপর তিনি আবারও ফিরেছেন সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটটিতে। যদিও তার সেই প্রত্যাবর্তন মোটেও সুখকর কোন স্মৃতি হয়ে ধরা দেয়নি।
২০২৫ সালে পাকিস্তানের হয়ে মাত্র আটটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন বাবর। এই সময়ে ১১৪.৪৪ স্ট্রাইকরেটে চলেছে তার ব্যাট। বর্তমান টি-টোয়েন্টি প্রেক্ষাপটে যা মোটেও সন্তুষ্টি সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট নয়। সেই ধারা অব্যাহত থেকেছে বিগব্যাশেও। ওই টুর্নামেন্টে তো তার দশা আরও ভয়াবহ। স্রেফ ১০৩.০৬ স্ট্রাইকরেটে তিনি রান তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

এই দশার একজন ব্যাটারের প্রয়োজনীয়তা অন্যকোন দলে না থাকলেও, পাকিস্তান দলে অবশ্যই রয়েছে। কেননা দলটির ব্যাটিং অর্ডারে মারকুটে ব্যাটার রয়েছেন বেশ ক’জন। কিন্তু ধারাবাহিকভাবে রান তোলায় পটু- এমন ব্যাটার নেই। সেই অভাবটাই বরং পূরণ করবেন বাবর আজম।
শুধু তাই নয়, পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবগুলো ম্যাচই খেলবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে। সেখানে রান প্রসবা উইকেট হওয়ার শতভাগ নিশ্চয়তা নেই। খানিকটা স্পিন সহায়ক উইকেটে দ্রুত রান তোলার চাইতেও, কখনো কখনো প্রয়োজন হয়ে পড়বে ব্যাটিংয়ের হাল ধরা, ম্যাচটাকে গভীর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাওয়া।
এসব ক্ষেত্রে শান্তচিত্তে বাইশ গজে টিকে থাকায় বাবর আজম বেজায় পারদর্শী। ঠিক সে কারণেই বাবরকে রাখা হয়েছে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে। এখন তিনি প্রত্যাশার প্রতি কতটুকু শ্রদ্ধা দেখাতে সমর্থ হবেন- সেটা কেবল সময়ের আছে জানা।












