যে কারণে প্রথম ম্যাচ খেলা হয়নি ভুবনেশ্বরের

অজি তারকা জশ হ্যাজলউডের সঙ্গে দুই ভারতীয় ইয়াশ দয়াল এবং রাসিক সালাম সামলেছিলেন পেস বিভাগের দায়িত্ব। রাসিক কিছুটা খরুচে হলেও হ্যাজলউড এবং ইয়াশ দারুণ বোলিং করেছিলেন, আর উইকেট তো তিন পেসারই পেয়েছেন। ডেথ ওভারেও তাঁদের বোলিং ভাল ছিল। 

ভুবনেশ্বর কুমারকে যখন দলে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, তখন সবাই ভেবেছিল তাঁদের বোলিং বিভাগের মেইনম্যান হবেন তিনি। কেননা দুইটি দলের সাথে নিলামের লড়াই শেষে তাকে দলে নিতে সক্ষম হয় ফ্রাঞ্চাইজিটি। কিন্তু প্রথম ম্যাচে একাদশেই জায়গা হয়নি তাঁর, এমনকি ইম্প্যাক্ট সাবস্টিটিউটের তালিকায় ছিল না তাঁর নাম। তবে কি টিম ম্যানেজম্যান্টের প্রাথমিক পরিকল্পনায় তাঁকে রাখা হয়নি?

না, এসব কিছু না। টসের সময় অধিনায়ক রজত পাতিদার ভুবনেশ্বরকে বাদ দেয়ার কারণ স্পষ্ট না করলেও পরবর্তীতে জানা গিয়েছে সে রহস্য। মূলত হালকা ইনজুরি থাকায় তিনি খেলেননি টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে।

অজি তারকা জশ হ্যাজলউডের সঙ্গে দুই ভারতীয় ইয়াশ দয়াল এবং রাসিক সালাম সামলেছিলেন পেস বিভাগের দায়িত্ব। রাসিক কিছুটা খরুচে হলেও হ্যাজলউড এবং ইয়াশ দারুণ বোলিং করেছিলেন, আর উইকেট তো তিন পেসারই পেয়েছেন। ডেথ ওভারেও তাঁদের বোলিং ভাল ছিল।

 

তবে চোট কাটিয়ে ফিরলে ভুবির একাদশে জায়গা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। আইপিএল ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী তিনি, ভারতীয় পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট তাঁর দখলে। এছাড়া পরপর দু’বার পার্পল ক্যাপ দখলে রাখার কীর্তি আছে এই ডানহাতির।

গত মেগা নিলামে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং লখনৌ সুপার জায়ান্টসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাঁকে নিজেদের করে নিতে পেরেছে ব্যাঙ্গালুরু। সেজন্য দলটার খরচ হয়েছে ১০.৭৫ কোটি রুপি। বলাই যায়, তাঁর ওপর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্টের।

এর আগে ২০০৯ এবং ২০১০ আসরে ব্যাঙ্গালুরুর ডেরায় ছিলেন ভুবনেশ্বর। কিন্তু ম্যাচ খেলা হয়নি একটাও; এবারের অধ্যায়ে তাই তিনি কমতি রাখতে চাইবেন না, রাঙিয়ে দিতে চাইবেন নিশ্চয়। চোট সেই চাওয়ায় বাঁধা হয়ে না দাঁড়ালেই হবে।

 

Share via
Copy link