ফলোঅন এড়ানোর লড়াই আফগানদের

বড় প্রশ্ন—ভারতের বিশাল লিডের সামনে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তান কি ফলো-অন এড়াতে পারবে? ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে তৃতীয় দিনে রাখতে চলেছে সবচেয়ে বড় ভূমিকা।

ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে চন্ডিগড়ে বিরাট চাপে রয়েছে আফগানিস্তান। প্রথম ইনিংসে ভারত ৮ উইকেটে ৫৮৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করেছে। জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে আফগানিস্তানের সংগ্রহ পাঁচ উইকেটে ১১৩ রান।

ভারতের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত অভিষেক করেছেন স্পিনার মানাভ সুথারর। আফগানিস্তানের এখন পর্যন্ত পড়া পাঁচ উইকেটের মধ্যে তিনটিই শিকার করেছেন তিনি। শুধু বল হাতেই নয়, ব্যাট হাতেও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন সুতার।

তাঁর ২৮ রান এবং ওয়াশিংটন সুন্দরের অর্ধশতক ভারতের ইনিংসকে বড় সংগ্রহে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেঞ্চুরি থেকে ১৯ রান দূরে থাকতে আউট হয়ে যান ঋষাভ পান্ত।

অন্যদিকে, পেসার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাও ধারাবাহিকভাবে নিখুঁত লাইন-লেংথে বোলিং করে আফগান ব্যাটারদের স্বস্তিতে খেলতে দেননি। দিন শেষে আফগানিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে রহমত শাহকে। দৃঢ় রক্ষণ এবং আত্মবিশ্বাসী ফুটওয়ার্কে তিনি ভারতের বোলারদের মোকাবিলা করেছেন বেশ ভালোভাবেই।

এখন দেখার বিষয়, তৃতীয় দিনের খেলা শুরুর পর রহমান শাহ কতক্ষণ প্রতিরোধ গড়তে পারেন। তার চেয়েও বড় প্রশ্ন—ভারতের বিশাল লিডের সামনে দাঁড়িয়ে আফগানিস্তান কি ফলো-অন এড়াতে পারবে? ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে তৃতীয় দিনে রাখতে চলেছে সবচেয়ে বড় ভূমিকা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link