ভারতে গেলেই তুমি খরগোশ বনে যেতে!

গৌতম গম্ভীর যেখানে আছেন সেখানে বিতর্ক আর উত্তেজনা থাকবে না, তা অসম্ভব। তাই ব্যতিক্রম ঘটেনি ২০০৮-০৯ মৌসুমের বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতেও। আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন ভারতীয় এই ব্যাটার।

‘মাঙ্কিগেট’  কেলেঙ্কারি থেকেই ভারত- অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে। অস্ট্রেলিয়ায় সফরকালীন অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ায় ভারতের হরভজন সিং। বর্ণ বিদ্বেষের অভিযোগ আনা হয় ভাজ্জির ( হরভজন সিং) বিরুদ্ধে। তারপর জরিমানা আর কয়েক ম্যাচ নিষিদ্ধের মধ্যে দিয়েই পার হয় ভাজ্জির ক্যালেন্ডার। সে ঘটনাই  ক্রিকেট দুনিয়ায় ‘মাঙ্কিগেট কেলেঙ্কারি’ নামে পরিচিত।

২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বর্ডার- গাভাস্কার ট্রফি খেলতে ভারত সফরে আসে অস্ট্রেলিয়া। সাত বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজ দেশকে জিততে দেখে ভারতের ক্রিকেট প্রেমীরা বেশ খুশি ছিল।

ঐ সিরিজে অসংখ্য নাটকীয়তার জন্ম হয়। তবে এসব কিছুর কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন ভারতীয় ওপেনার গৌতম গম্ভীর। দিল্লিতে তৃতীয় টেস্ট খেলার সময় শেন ওয়াটসনের সাথে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে চতুর্থ টেস্টে হন নিষিদ্ধ। এর আগে, নাগপুরে গম্ভীর বাকযুদ্ধে জড়ায় অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের সাথে।

উদ্বোধনী টেস্টে পন্টিং ঠাট্টা আর স্লেজিংয়ের মাধ্যমে বিরক্ত করার চেষ্টা করছিল গম্ভীরকে। যাইহোক, গম্ভীরও ছেড়ে দেয়ার পাত্র নয়। চুপ না থেকে অজি কিংবদন্তীর সাথে তর্ক শুরু করেন। ২০২০ সালে ভারতীয় বেসরকারি চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে গম্ভীর বিষয়টি পরিষ্কার করেন।

তিনি বলেন, ‘সে (পন্টিং) তখন সিলি পয়েন্টের দিকে ছিল এবং আমাকে বলেছিল, তুমি পৃথিবীতে বিখ্যাত হওয়ার মত কিছুই করোনি। আমি তখন বলেছিলাম, তুমিও ভারতে তেমন কিছুই করোনি। সত্যি বলতে তুমি এখানে খরগোশ হয়েই ছিলে।’

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link