বাবর আজম ফেরারি, কিন্তু রিজওয়ান রিকশা!

বাবরের পরিবর্তে রিজওয়ানকে নেতৃত্বভার দেয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি ফেরারি বাদ দিয়ে রিকশা নিয়েছেন। একটা সময় আমি রিজওয়ানের প্রশংসা করতাম, সে ঘরোয়া ক্রিকেটে সাহসী অধিনায়কত্ব করতো। কিন্তু হঠাৎ কয়েক মাসের ব্যবধানে তাঁর মানসিকতা বদলে গিয়েছে। সে আগের মত সাহসী সিদ্ধান্তগুলো নিতে পারছে না।’

টি-টোয়েন্টি ওপেনার হিসেবে বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ানের জুটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে ভারতকে দশ উইকেটে হারানোর পর থেকে তাঁদের ভিন্ন চোখে দেখতে শুরু করেন দেশটির সমর্থকেরা। প্রত্যাশা মেটাতে না পারায় সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন তাঁরা, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর সমালোচনার সাগরে জোয়ার এসেছে।

যদিও মোহাম্মদ আমির আবার হেঁটেছেন ব্যতিক্রমী পথে। তিনি সমালোচনা করেছেন একতরফাভাবে, বর্তমান অধিনায়ক রিজওয়ানকে কাঠগড়ায় তুললেও সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম এখনো তাঁর চোখে নায়ক।

বাবরের পরিবর্তে রিজওয়ানকে নেতৃত্বভার দেয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি ফেরারি বাদ দিয়ে রিকশা নিয়েছেন। একটা সময় আমি রিজওয়ানের প্রশংসা করতাম, সে ঘরোয়া ক্রিকেটে সাহসী অধিনায়কত্ব করতো। কিন্তু হঠাৎ কয়েক মাসের ব্যবধানে তাঁর মানসিকতা বদলে গিয়েছে। সে আগের মত সাহসী সিদ্ধান্তগুলো নিতে পারছে না।’

এই বাঁ-হাতি পেসার স্কোয়াডের ব্যাপারে বলেন, ‘আহমেদ শেহজাদ, ওয়াসিম আকরামরা সবাই স্কোয়াডের ত্রুটি দেখিয়ে দিয়েছে, আমাদের জেনুইন ওপেনার এবং স্পিনারের অভাব ছিল। কিন্তু অধিনায়ক কোন ব্যবস্থা নেয়নি। যে প্রভাব খাটিয়ে সে অধিনায়ক হয়েছে, একই প্রভাব খাটিয়ে চাইলে দলটা গুছিয়ে নিতে পারতো।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘যখন ফখর জামান চোটে পড়ে, তখন স্পিনার নিয়ে স্কোয়াডে ভারসাম্য ফেরানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু ইমাম উল হককে দলে নিয়েছে তাঁরা, অথচ বেঞ্চে উসমান খান ছিলেন। যখন খেলোয়াড় নির্বাচনে ব্যক্তিগত পছন্দের ব্যাপার চলে আসে তখন আসলে কিছু বলার থাকে না।’

সবশেষে টিম ম্যানেজম্যান্টকে একরকম হুশিয়ারি দিয়েছেন আমির। তিনি বলেন, ‘যদি টিম ম্যানেজম্যান্ট ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারে, সাহসী হতে না পারে তাহলে পাকিস্তান ক্রিকেট অন্তত বিশ বছর পিছিয়ে যাবে।’ – চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি মিশন ব্যর্থ হওয়ার পর পিসিবি অবশ্য নড়েচড়ে বসেছে, এখন দেখা যাক কেমন পরিবর্তন হয় তাঁদের।

Share via
Copy link