বিপিএলের প্রস্ততি পর্ব মোটামুটি শেষ, এখন শুধু অপেক্ষাটা মাঠের লড়াই দেখার। তবে লড়াইয়ে নামার আগে যে দলগুলোর নেতার প্রয়োজন। এবারের আসরে ছয় দলের অধিনায়ক কারা হতে পারেন তা একটু খতিয়ে দেখা যাক।
শুরুটা রংপুর রাইডার্স দিয়েই করা যাক। প্রতিবারের মতো এবারেও তারকায় ঠাসা দল করেছে তারা। তবে দলটির অধিনায়কের রেসে আছে দুই নাম, লিটন দাস এবং নুরুল হাসান সোহান। তবে দীর্ঘদিন ধরেই এই দলটিকে আগলে রেখেছেন সোহান। লিটনকে তাই নির্ভার রেখেই পরিকল্পনা সাজাবে ম্যানেজমেন্ট। দায়িত্বটা তাই সোহানের কাঁধেই থাকছে।
ঢাকা ক্যাপিটালসের হাতেও আছে অধিনায়কদের লম্বা লিস্ট। তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন কিংবা অভিজ্ঞতার বিচারে নাসির হোসেন চারজনের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নেবে ম্যানেজমেন্ট। এক্ষেত্রে জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক সাইফ হাসানের উপরই ভরসা রাখতে পারে ঢাকা।

রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হাতেও আছে একাধিক নাম। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, কিংবা আকবর আলীর মতো পরীক্ষিত সব নাম। তবে এখানে নিশ্চয় রাজশাহীর ম্যানেজমেন্ট আস্থা রাখবে শান্তের উপরই।
সিলেট টাইটেন্সের অবশ্য খুব বেশি চিন্তা করতে হবে না অধিনায়ক নিয়ে। কারণ দলটিতে আছেন জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। অভিজ্ঞতা কিংবা সক্ষমতা, সবকিছু মিলিয়ে তিনিই যে দলটির সর্বাধিনায়ক হবেন তা আর বলা অপেক্ষা রাখে না।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হাতে নামজাদা কোন অধিনায়ক অবশ্য নেই। সম্ভাব্য তালিকায় সৌম্য সরকার কিংবা জাকের আলীর নামটাই উঠবে। এক্ষেত্রে জাকেরের সাম্প্রতিক পারফর্ম্যান্স মোটেও আশা জাগানিয়া নয়। সৌম্যকে তাই দেখা যেতে পারে দায়িত্বে।

তবে দুশ্চিন্তাটা চট্টগ্রাম শিবিরে। দলে ক্যাপ্টেনসি ম্যাটেরিয়ালের সংখ্যাটা যে নেই বললেই চলে। যদিও এক কোটি ১০ লাখ টাকা দিয়ে কেনা নাইম শেখকে বিবেচনা করতেই পারে ম্যানেজমেন্ট। তবে খুঁজলে আরও দুই নাম আছে তাদের কাছে। অভিজ্ঞতার হিসাবে শুভাগত হোমের নাম আসলেও প্রাধান্যটা শেখ মেহেদিই পাবেন হয়তো।











