বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) কাছে খেলোয়াড় এবং কোচ চেয়েছিল সৌদি আরব। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বিসিবি। নিজ দেশের ক্ষতি করে খেলোয়াড় বা কোচ দিতে একেবারেই নারাজ বোর্ড।
বিশ্ব ক্রীড়ামঞ্চে সৌদি আরবের নাম এখন আর নতুন নয়। ফুটবল, গলফ, ফর্মুলা ওয়ান, একটার পর একটা বড় বিনিয়োগে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে ক্রিকেট। তবে সৌদি আরবের ক্রিকেট স্বপ্নের পথে প্রথম বড় ‘না’ শব্দটি এসেছে বাংলাদেশ থেকেই।
সৌদি আরব চেয়েছিল বাংলাদেশ থেকে নারী এবং পুরুষ উভয়ই খেলোয়াড়দের নিতে, এমনকি কোচ প্রাপ্তির আশা করেছিল তারা। উদ্দেশ্য একটাই, সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদে তাদের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলানো।তবে বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল সেই প্রস্তাবে সায় দেননি। সম্প্রতি ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে এমনটাই উঠে এসেছে।

এ নিয়ে ক্রিকবাজকে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুই মাস আগে তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আমি সরাসরি না বলে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে খেলোয়াড় চেয়েছে, নারী ও পুরুষ দুই বিভাগেই। পরে কোচের কথাও বলেছে। কিন্তু নিজের দেশের ক্ষতি করে কীভাবে অন্য দেশের জন্য খেলোয়াড় বা কোচ দেব?’
অন্যদিকে সৌদি আরবের পরিকল্পনাও বেশ শক্তপোক্ত। দেশের ‘ভিশন ২০৩০’ কৌশলের অংশ হিসেবে তারা ক্রিকেটকে দেখতে শুরু করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ হিসেবে। বড় অঙ্কের অর্থ, আধুনিক অবকাঠামো, সব মিলিয়ে সৌদি ক্রিকেট এখন দ্রুত এগোনোর ছক কষছে।
এই লক্ষ্য পূরণে তারা যে পথ বেছে নিচ্ছে, তা নতুন নয়। আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র একই কৌশল হেঁটেছে। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলো থেকে খেলোয়াড় এনে নাগরিকত্ব বা আইনি যোগ্যতা সম্পন্ন করিয়ে জাতীয় দলে খেলানো। সৌদি আরবও ঠিক সেই পথেই হাঁটতে চায়।












