নিলামে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ক্রয় দিয়ে শুরু হয় চট্টগ্রাম রয়্যালসের যাত্রা। নাঈম শেখকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে ভিড়িয়ে রীতিমত হট্টগোল ফেলে দেয় চট্টগ্রাম। সেই হট্টগোল সময় গড়ানোর সাথে সাথে নানামুখী সমালোচনায় রুপান্তরিত হয়। দলটা কতদূর যাবে সেটা অনুমান করা দুষ্কর, কিন্তু মোটামুটি লড়াই করবার মত রসদ অন্তত জড়ো করতে পেরেছে নবাগত ফ্রাঞ্চাইজি।
যার সূত্রপাত তারা করেছিলেন গত বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, নাঈমকে দলে নিয়ে। তার আগে অবশ্য টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বোলিং অলরাউন্ডার শেখ মাহেদীকে সরাসরি চুক্তিভুক্ত করেছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। তার সাথে ছিলেন আরেক স্পিনার, তানভীর ইসলাম। চট্টগ্রামের মূল শক্তির জায়গা তাদের স্পিন ডিপার্টমেন্ট।
মেহেদী, তানভিরদের সাথে সেই ডিপার্টমেন্ট সামলাবেন পাকিস্তানি লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ। অভিজ্ঞ আরাফাত সানিকেও তারা পাচ্ছেন ডাগআউটে। পেস ডিপার্টমেন্টকেও শক্তিশালী বলে দেওয়া যায় অনায়াসে। শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, এছাড়াও আবু হায়দার রনির সাম্প্রতিক ফর্ম বেশ আশা জাগাচ্ছে।

কামরান গুলাম, পল স্টার্লিং, ক্যামেরন ডেলপোর্ট, নিরোশান ডিকওয়েলাদের মত বিদেশি শক্তি মন্দ অন্তর্ভুক্তি নয়। তবে একটা বিষয়ে চট্টগ্রাম খানিকটা নির্ভার থাকতেই পারবে। একাদশ সাজাতে তাদের খুব বেশি দুশ্চিন্তা করতে হবে না। ওপেনিংয়ে নাঈম শেখের সাথে ক্যামেরুন ডেলপোর্ট শুরু করবেন। এরপরের স্থানে নিরোশান ডিকওয়েলা কিংবা পল স্টার্লিংকে খেলাতে পারবে ফ্রাঞ্চাইজিটি।
মিডল অর্ডারে হাল ধরার ক্ষেত্রে মাহমুদুল হাসান জয়ের উপর ভরসা রাখবে চট্টগ্রাম। তারপর কামরান গুলহাম, শেখ মেহেদী ও অভিজ্ঞ জিয়াউর রহমান। এই হতে পারে অধিকাংশ ম্যাচে চট্টগ্রামের শুরুর সাতজনের দৃশ্য। মুকিদুল মুগ্ধ, শরিফুল সহ, বোলিংয়ে আবরার ও তানভীর। এমন একটা একাদশের রুপরেখাই হয়ত ফাইনাল করে ফেলেছে চট্টগ্রামের টিম ম্যানেজমেন্ট।
পরিস্থিতির চাহিদা অনুযায়ী বদল আনবে তারা। যতটা সমালোচিত হয়েছিল তারা দল গঠনের পরপরই, পূর্ণাঙ্গ চিত্রে অন্তত ততটাও নড়বড়ে ঠেকছে না চট্টগ্রাম রয়্যালসকে। কাগজের-কলমে ভারসাম্যপূর্ণ দল চট্টগ্রাম এখন মাঠের ক্রিকেটের যথাযথভাবে পারফরম করতে পারলেই হয়ত, সকল সমালোচনার জবাব দেওয়া হবে যথাযথভাবে।












