সিডনির রাজা স্টিভেন স্মিথ!

'আই এম দ্য কিং অব দিস রিং'! রিংয়ে তখন দাপট চলছে সনি লিস্টন, জো ফ্রেজিয়ারদের। সেখানে দাঁড়িয়ে মোহাম্মদ আলি এই কথাটায় বলেছিলেন। সিডনিতে যখন জো রুট, ট্রাভিস হেডরা শতক হাঁকিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন, স্টিভেন স্মিথ ভিড় ঠেলে সামনে এসে একটা স্টেটমেন্ট দিলেন, 'এই মাঠের রাজা আমিই।'

‘আই এম দ্য কিং অব দিস রিং’! রিংয়ে তখন দাপট চলছে সনি লিস্টন, জো ফ্রেজিয়ারদের। সেখানে দাঁড়িয়ে মোহাম্মদ আলি এই কথাটায় বলেছিলেন। সিডনিতে যখন জো রুট, ট্রাভিস হেডরা শতক হাঁকিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন, স্টিভেন স্মিথ ভিড় ঠেলে সামনে এসে একটা স্টেটমেন্ট দিলেন, ‘এই মাঠের রাজা আমিই।’

স্মিথের ঘরের মাঠ। গ্যালারি ভর্তি দর্শক অপেক্ষায় আছে ঘরের ছেলের ব্যাটের মায়াজালে বুধ হয়ে থাকার। স্মিথ নিরাশ করলেন না তাদের। সিডনির মাটি তখন লেপ্টে রেখেছে স্মিথের সাদা জার্সি। তাতেই যে ফুটে উঠেছে উইকেটের সাথে তাঁর আত্মিক সম্পর্কের প্রতিবিম্ব।

স্মিথের একেকটা শট গোধুলির শেষ চিহ্ন মুছে যাওয়ার আগে যতটা লেপ্টে থাকে চোখে, ততটাই মুগ্ধ করে রাখল এসএসজির দর্শকদের। ফিফটি এলো তবুও সৌন্দর্যের পাঠচক্র চলতে থাকল ব্যাটে। প্রতিপক্ষ বোলাররা নতজানু হয়ে দেখতে থাকল শ্রেষ্ঠ শিল্পীর আঁকা চিত্রকর্ম, দেখতে থাকলো এক রাজার ঐধত্ত্য।

একটা সময় নিস্তব্ধ গ্যালারিতে করতালির জোয়ার এলো, ক্যামেরার সব লেন্স খুঁজে নিল স্মিথকে। এক হাতে তরবারি, আরেক হাতে ধরা শিরস্ত্রাণ। শান্ত চোখে জানান দিলেন, আরও এক শতকের দেখা পেয়েছেন, ৩৭ বারের মতো।

এ শতক সেরার প্রতীক, এ শতক ধূলোর আস্তরণে ঢাকা পড়া সাদা জার্সির অহংকার। এক কথায় চোখ জুড়ানো, মন ভুলানো। টেস্ট ক্রিকেটে স্মিথকে কেন ভিন্ন মানদণ্ডে মাপা হয়, তারই এক উদাহরণ জলজ্যান্ত যেন। একেবারে ট্রিট টু ওয়াচ।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link