ফাইনালের টিকিট চট্টগ্রামের হাতে!

শেষ ওভারে নয় রানের সমীকরণ সহজেই মিলিয়ে ফেলল চট্টগ্রাম রয়্যালস। পেছনের কারিগর অবশ্য দলের ক্যাপ্টান শেখ মেহেদী। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ছয় উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিটটা বুক করে নিল চট্টগ্রাম। সব সমালোচনার ধুলো ঝেড়ে ফেলে চট্টগ্রাম চমকই দেখাল বটে।

শেষ ওভারে নয় রানের সমীকরণ সহজেই মিলিয়ে ফেলল চট্টগ্রাম রয়্যালস। পেছনের কারিগর অবশ্য দলের ক্যাপ্টান শেখ মেহেদী। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ছয় উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকিটটা বুক করে নিল চট্টগ্রাম। সব সমালোচনার ধুলো ঝেড়ে ফেলে চট্টগ্রাম চমকই দেখাল বটে।

টস কয়েনটা চট্টগ্রামের দিকেই গেল। শেখ মেহেদী ভুল করলেন না সিদ্ধান্ত নিতে, ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানালেন রাজশাহীকে। শুরুটা দেখেশুনেই করলেন তানজিদ তামিম এবং শাহিবজাদা ফারহান। কঠিন উইকেটে মাথা ঠান্ডা রেখেই ইনিংস ভিত গড়তে চাইলেন। চট্টগ্রামকে প্রথম উইকেটের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হলো ষষ্ঠ ওভার পর্যন্ত।

এরপর থেকে একে একে আত্মাহুতি দিতে থাকেন রাজশাহীর ব্যাটার। ৪১ রানের ইনিংস খেলে থামতে হয় তামিমকেও। দলের অবস্থা তখন শোচনীয়। এমন সময় পর্দার আড়াল থেকে নায়কের বেশে বেরিয়ে এলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ১৫ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দিলেন। যার সুবাদে দলও পেল ১৩৩ রানের লড়াকু পুঁজি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ম্যাচের লাগাম ধরে রাখলো চট্টগ্রাম। সময় যায়, ওভার গড়ায় তবে কোনো কিছুতেই যেন উইকেটের দেখা পায় না রাজশাহী। অপেক্ষার অবসান হলো ৬৪ রানের মাথায়। ৩০ রান করা নাইম শেখকে ফেরালেন ওই সাকলাইন।

এরপর উইকেটের দেখা না পেলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে গেছে রাজশাহীর বোলাররা। শেষ চার ওভারে তাই চট্টগ্রামের জন্য সমীকরণ দাঁড়ায় জিততে হলে ৩৪ রান। সেখান থেকে শেষ ওভারে প্রয়োজন তখনও ৯ রান।

বল হাতে রিপন মন্ডল, চাপের চূড়ান্ত ধাপে চট্টগ্রাম। তবে ছক্কা হাঁকিয়ে সব কিছু নিজের করে নিলেন মেহেদী। নাটকীয়তা শেষে তিন বল আর ছয় উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ বাগিয়ে নিল চট্টগ্রাম। ফাইনালে পৌঁছে গেল তারা, এবার অপেক্ষাটা প্রতিপক্ষের জন্য।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link