ঠিক যেখানে খাবি খাওয়ার কথা ছিল ইংল্যান্ডের, সেই স্পিনেই তারা হয়েছে কুপোকাত। কিন্তু প্রতিকূলতার মাঝে দাঁড়িয়ে ফিল সল্ট দলের বোঝা টেনে নেওয়ার চেষ্টা করলেন দীর্ঘক্ষণ। কিন্তু তার ফিফটি হাঁকানো সংগ্রামটা খুব বেশি হয়নি দীর্ঘায়িত।
শ্রীলঙ্কার স্পিনিং কন্ডিশন উপমহাদেশের বাইরের দলগুলোর জন্য ছিল দুশ্চিন্তার কারণ। সেই ফাঁদে পড়বে না ইংল্যান্ড, সে বার্তা অবশ্য দিয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে। শ্রীলঙ্কাকে ৩-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজে পরাস্ত করেছিল ইংরেজরা। সেই ভাবনাতেই হয়ত কন্ডিশনটা ঠিকঠাক পড়া হয়ে ওঠেনি ইংল্যান্ডের।
বিশ্বকাপের মঞ্চে, ক্যান্ডির মেঘাচ্ছন্ন আকাশের নিচে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিং প্রান্তে ঠেলে দেয় শ্রীলঙ্কা। এরপরই শুরু হয় স্পিনারদের আধিপত্য বিস্তার। দুনিথ ওয়েলালাগে, মাহিশ থিকসানারা ইংল্যান্ডকে রীতিমত কোণঠাসা করে ফেলে। কিন্তু সেই রুদ্ধদ্বার পরিস্থিতির মাঝেও টিকে থাকার সংগ্রামটা করে গেছেন সল্ট।

সময়ের চাহিদা মেনে, লঙ্কান স্পিনারদের যথেষ্ট সমীহ করে ব্যাট চালিয়েছেন। উইকেট পতনের দুশ্চিন্তা, দলের বেহাল দশার দৃশ্যপট মাথায় নিয়ে তিনি তুলে ফেলেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। খুব বেশি আগ্রাসী হওয়ার সুযোগ তার সামনে ছিল না। কন্ডিশন মেনে তাই তিনি চালাচ্ছিলেন ব্যাট।
তবুও মোট আট খানা বাউন্ডারিতে তিনি সাজিয়েছিলেন নিজের ৪০ বলে ইনিংসটি। ছয়খানা চারের বিপরীতে দুই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ফিল সল্ট। ওয়েলালাগের উইকেটে পরিণত হওয়ার আগে তিনি দলের স্কোরবোর্ডে যুক্ত করেন ৬২ রান। এটিই ছিল এদিন ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।
তার এই ইনিংসটির কল্যাণে কোনমতে একটা মাঝারি মানের সংগ্রহ স্কোরবোর্ডে জড়ো করতে সক্ষম হয়েছে ইংল্যান্ড। সল্টের লড়াকু ইনিংসটি বিয়োগ করলে ইংল্যান্ডের পতন নিশ্চিত হয়ে যেত প্রথম ইনিংসেই। যদিও দিনশেষে এমন কন্ডিশনে সল্টের ইনিংসটি বনে যেতে পারে ম্যাচ উইনিং নক।












