ঘোর অন্ধকারের মাঝে ডেভিড মিলার হাজির হলে দক্ষিণ আফ্রিকার মশাল হয়ে। বিপর্যয় কাটাতে প্রয়োজন ছিল অভিজ্ঞতার দৃঢ়তা। আর সেজন্য ডেভিড মিলারের চাইতে পরীক্ষিত সেনানি প্রোটিয়াদের স্কোয়াডে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। সেই মিলার নিজের অভিজ্ঞতার মূল্য বোঝালেন ষোলআনা।
২০ রানের মাথায় তিন উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম পাওয়ার প্লে-তে এত উইকেট হারায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং। ওভার চলে গেছে চার খানা। এমন পরিস্থিতিতেই বাইশ গজে হাজির হয়েছিলেন ডেভিড মিলার। পাঁচের রানরেটকে তিনি নিয়ে গেলেন দশের কাছাকাছি। ডেওয়াল্ড ব্রেভিসকে সাথে নিয়ে তিনি ইনিংস মেরামত করলেন আগ্রাসনকে সঙ্গী করে।

২৬ বলে ৫২ রান করে পঞ্চাশের গণ্ডি পেরিয়ে যান প্রোটিয়া এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। প্রায় ২০০ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি তিনি খেলেছেন ঘোর বিপদ নামক খাঁদের কিনারায় দাঁড়িয়ে। এদিন বাইশ গজে নেমেই নিজের লক্ষ্য পরিষ্কার করে দেন মিলার। ভারতের ধূর্ত বোলার বরুণ চক্রবর্তীর পরপর দুই বলে দুই বাউন্ডারি আদায় করে শুরু হয় মিলারের যাত্রা।
৯৭ রানের জুটি গড়েন তিনি ব্রেভিসকে সাথে নিয়ে। পঞ্চাশ রানের জন্য বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন ব্রেভিস। কিন্তু তবুও মিলার থেকে অবিচল থাকার চেষ্টা করেছেন। অবশ্য যে বরুণকে আক্রমণ করে তিনি দারুণ ইনিংসের সূত্রপাত ঘটান, সেই বরুণের বলেই আউট হতে হয়েছে তাকে। লং অফে সহজ ক্যাচ তুলে দেন তিনি ব্যক্তিগত ৬৩ রানের মাথায়।

ততক্ষণে অবশ্য বিপর্যয় কাটিয়ে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের মতই ইনিংস শেষ করতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন ডেভিড মিলার। সাত চার আর তিন ছক্কার ইনিংসটি অবশ্য ছিল প্রোটিয়াদের ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ। এমন সব ম্যাচেই বোঝা যায় অভিজ্ঞতার মাহাত্ম্য।











