ট্রিস্টান ‘চুম্বক’ স্টাবস, একাই হারালেন ভারতকে

ট্রিস্টান টাবস একাই ভারতকে কফিন বন্দী করে দিল। এক ওভারে একই স্থানে তিনি নিলেন দুর্ধর্ষ তিন ক্যাচ। তার আগে ভারতের হাতের নাগাল থেকে ম্যাচকে বাইরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন স্টাবস।

ট্রিস্টান টাবস একাই ভারতকে কফিন বন্দী করে দিল। এক ওভারে একই স্থানে তিনি নিলেন দুর্ধর্ষ তিন ক্যাচ। তার আগে ভারতের হাতের নাগাল থেকে ম্যাচকে বাইরে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন স্টাবস। ব্যাট হাতে আগ্রাসনের আগ্নেয়গিরিতে তিনি ভারতকে ভষ্ম করার পথটা তৈরি করে দিয়েছেন।

বাংলায় এক প্রবাদ আছে, শেষ ভাল যার সব ভাল তার। দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য সেই শেষের ভালটা এসেছিল ট্রিস্টান স্টাবসের ব্যাটে ভর দিয়ে। ইনিংসের শেষ ওভারে হার্দিক পান্ডিয়াকে তুলোধুনো করেন স্টাবস। দুই ছক্কা এক চারে তিনি ২০ রান তুলে নেন। তাতে করে স্কোরবোর্ড হয় দারুণ হৃষ্টপুষ্ট।

তার ২৪ বলের ৪৪ রানের ইনিংসটি দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহকে দিয়েছিল বাড়তি বুষ্ট। ১৮৭ রানের বেশ বড়সড় সংগ্রহ ততক্ষণে শোভা পেতে শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরবোর্ডে। কিন্তু সেখানেই তো স্টাবসের কাজ শেষ হয়ে যায় না। তিনি তাই এবার ভারতের পরাজয় নিশ্চিত করতে জুটি বাঁধলেন কেশভ মহারাজের সাথে।

হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং, আর্শদ্বীপ সিং- ভারতের তিন ব্যাটার আউট মহারাজের এক ওভারে। আর সেই তিন ব্যাটারকে ফেরাতে ট্রিস্টান স্টাবস বনে গেলেন চুম্বক। তিন খানা ব্যাটারের ক্যাচই গিয়েছে তার হাতে। বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে তিনটি ক্যাচ নিয়েছেন তিনি দারুণ দক্ষতার সাথে।

হার্দিক পান্ডিয়াকে আউট করতে গিয়ে বাউন্ডারির ওপারে প্রায় চলেই যাচ্ছিলেন তিনি। বলকে হাওয়ায় ঠেলে আবার করেছেন তালুবন্দী। আর্শদ্বীপের ক্ষেত্রেও ঘটিয়েছেন একই কাণ্ড। রিঙ্কুর ক্যাচটা অপেক্ষাকৃত সহজ ছিল বটে, কিন্তু তবুও বেশ খানিকটা দৌড়ে এসে তিনি ক্যাচ ধরে, ভারতের সকল প্রতিরোধের অবসান ঘটিয়েছেন। আর সেখানেই প্রতিশোধের আগুন যেন স্বস্তির পরশ খুঁজে পায়।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link