টি-টোয়েন্টি মানেই চার-ছক্কার ফুলঝুরি আর গ্যালারিতে উন্মাদনা। এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে সেঞ্চুরি করা যেকোনো ব্যাটারের জন্যই এক আরাধ্য স্বপ্ন। সম্প্রতি পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) সাহিবজাদা ফারহানের দানবীয় ব্যাটিং পারফরম্যান্স টি-টোয়েন্টির সেঞ্চুরির তালিকায় বড় ধরনের ওলটপালট ঘটিয়ে দিয়েছে।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ শতক হাঁকানো ব্যাটারদের বীরত্বগাথা থাকছে আজকের আয়োজনে।
- বিরাট কোহলি (৯টি শতক)

আধুনিক ক্রিকেটের বরপুত্র বিরাট কোহলির টি-টোয়েন্টি অভিযান শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালে। তবে শতকের দেখা পেতে তাঁর অপেক্ষা ছিল দীর্ঘ নয় বছরের। ২০১৬ সালের আইপিএলে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়ার পর গত এক দশকে কোহলি পৌঁছেছেন নয়টি সেঞ্চুরির মাইলফলকে। ৩৯৮টি ইনিংস খেলে কোহলি যেখানে তাঁর সাম্রাজ্য গড়েছেন।
- রাইলি রুশো (৯টি শতক)

কোহলির সাথে যৌথভাবে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার হার্ডহিটার রাইলি রুশো। ৩৭৭টি ইনিংসে ব্যাট চালিয়ে রুশোও পৌঁছে গেছেন নয়টি শতকে। ২০১৯ সালে বিপিএলে প্রথম শতক হাঁকানোর পর গত সাত বছরে তিনি নিজের এই সংগ্রহ সমৃদ্ধ করেছেন।
- সাহিবজাদা ফারহান (৯টি)

এই তালিকার সবচেয়ে বড় চমকের নাম সাহিবজাদা ফারহান। ২০১৩ সালে অভিষেক হলেও ফারহানের আসল তান্ডব শুরু হয়েছে গত চার বছরে। ২০২২ সালে প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়ার পর মাত্র চার বছরের ব্যবধানে তিনি ঝুলিতে পুরেছেন আটটি সেঞ্চুরি। মাত্র ১৬০ ইনিংসে এই মাইলফলক ছুঁয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন এই ফরম্যাটে তিনি কতটা পটু।
- ডেভিড ওয়ার্নার (১০টি)

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সফল ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। অজি এই বাঁহাতি ব্যাটার তাঁর বিধ্বংসী মেজাজে ক্যারিয়ারজুড়ে বোলারদের শাসন করেছেন। ঘরোয়া, ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ওয়ার্নারও রয়েছেন এই তালিকার শীর্ষে। তাঁর নামের পাশে রয়েছে দশটি টি-টোয়েন্টি শতক।
- বাবর আজম (১১টি)

তালিকার দ্বিতীয় নম্বরে যার নাম রয়েছে, তিনি আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার বাবর আজম। ২০১২ সালে এই সংস্করণে যাত্রা শুরু করার পর ৩৩৬টি ইনিংসে বাবর নিজের নামের পাশে যোগ করেছেন ১১টি শতক। গত এক যুগে বাবর প্রমাণ করেছেন – ধৈর্য এবং একাগ্রতা থাকলে টি-টোয়েন্টিকেও শাসন করা সম্ভব।
- ক্রিস গেইল (২২টি)

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাস লিখতে বসলে প্রথম নামটিই হবে ক্রিস গেইল। ২০০৫ থেকে ২০২২ – এই দীর্ঘ ১৭ বছরে গেইল নিজেকে এক ধরাছোঁয়ার বাইরের উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। ৪৫৫টি ইনিংসের দীর্ঘ পথচলায় তিনি হাঁকিয়েছেন ২২টি টি-টোয়েন্টির সিংহাসনে তিনি এখনো একা এবং অপ্রতিদ্বন্দ্বী এক নাম।











