রাজার ক্ষুধা কখনো শেষ হয় না। সব জিতে ফেলার পরও তিনি নতুন রাজ্য জিততে চান। সিংহাসনে বসে তিনি দেখতে চান ভক্ত সুলভ প্রজাদের মুখের তৃপ্তিমাখা হাসি। বিরাট কোহলি তাই তো ফিরে আসেন বারবার।
আগের দুই ইনিংসে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে গিয়েছিলেন। সেই নিয়েই চারিদিকে কত কথা শোনা যাচ্ছিলো। বিরাটের বয়স হয়েছে, ব্যাটে আগের মতো ধার আর নেই। তিনি যেন চুপ করে সব শুনে যাচ্ছিলেন। অতঃপর সকল সমালোচনার জবাব আসলো শতরানের মধ্যে দিয়ে।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে বৃষ্টিতে পেছানো ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে সংগ্রহ করে ১৯২ রান। আর তা তাড়া করতেই জ্যাকব ব্যাথেলকে নিয়ে ক্রিজে আসেন কোহলি।

ফিল্ডিংয়ে কয়েকবার ভুল করে নিজের ওপরেই রেগে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, ব্যাট হাতে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বৈভব অরোরার বল বাউন্ডারিতে পাঠান গুনে গুনে চারবার। গত চার ম্যাচে তাঁর ব্যাটে কোনো ফিফটি যে আসেনি এটা একবারও দেখে মনে হয়নি।
১৯৩ রান তাড়া করার দিনে আরসিবির ব্যাটিং লাইনআপের স্তম্ভ হয়ে ছিলেন ইনিংসজুড়ে। নিজের নবম আইপিএল সেঞ্চুরির দিনে একেবারে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন। ছয় উইকেটের জয়ে কোহলি করেন ৬০ বলে ১০৫ রান।
দিন যায়, মাস যায়। সময়ের সাথে বিবর্তিত হয়ে বদলায় ক্রিকেট। কিন্তু, বিরাট যেন ঠিকই আগের মতো থেকে যান। আরও একবার তাড়া করতে গিয়ে দলকে জিতিয়ে দিয়ে বিরাট প্রমাণ করলেন, সব বদলে যেতে পারে, কিন্তু, কোহলি ইজ পারমানেন্ট।











