এনামুলের ঘূর্ণিতেই ভারত বধ করেছে বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারত চ্যাম্পিয়নসের বিরুদ্ধে তিন রানের এক শ্বাসরুদ্ধকর জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস। আর এই স্মরণীয় জয়ের নেপথ্যে আসল নায়ক ছিলেন বাহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারত চ্যাম্পিয়নসের বিরুদ্ধে তিন রানের এক শ্বাসরুদ্ধকর জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস। আর এই স্মরণীয় জয়ের নেপথ্যে আসল নায়ক ছিলেন বাহাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। তাঁর ঘূর্ণি জাদুতেই ম্যাচ নিজেদের নামে করে বাংলাদেশ।

টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস সংগ্রহ করেছিল ১৪১ রান। জবাব দিতে নামা ভারত চ্যাম্পিয়নসের শক্ত মিডল অর্ডারকে ধসিয়ে দেওয়ার কাজটি নিখুঁতভাবে সারেন এনামুল জুনিয়র। তিন ওভার বোলিং করে ১২ রানের বিনিময়ে তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ চারটি উইকেট, যেখানে প্রতি ওভারের ইকোনমি ছিল মাত্র চার।

​ইনিংসের দশম ওভারে জোড়া ধাক্কা দিতে প্রথম শিকার বানান বিপজ্জনক ইউসুফ পাঠানকে। তাকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান এনামুল। এরপর ১৫তম ওভারে ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন তিনি।

ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড করে দেন ২৪ রান করা ঋষি ধাওয়ানকে। ঠিক দুই বল পর আবারও এনামুলের নিখুঁত টার্ন, এবার তাঁর শিকার ২৪ রান করা আরেক বিস্ফোরক ব্যাটার ইরফান পাঠান।

একই ওভারের শেষ বলে অভিমানিউ মিথুনকে শূন্য রানেই ইমরুল কায়েসের ক্যাচে পরিণত করে নিজের চার উইকেট পূরণ করেন এবং ভারতীয় ব্যাটিং লাইনাপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

এনামুলের এই চার উইকেটের তাণ্ডবেই শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৩৮ রানে থমকে যায় ভারতের ইনিংস, আর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস পেয়ে যায় তিন রানের এক মহানাটকীয় জয়। বোলিং স্পেলে রান নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক সময়ে উইকেট নেওয়ার অসাধারণ এই পারফরম্যান্সের কারণেই আজকের জয়ে মূল ভূমিকা পালন করলেন এই অভিজ্ঞ স্পিনার।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

এলাম, দেখলাম, জয় করলাম

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটের আভিজাত্যমণ্ডিত এই সংস্করণে রেনশোর প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল গত আগস্টেই, বাংলাদেশের বিপক্ষে! তাও আবার অজিদের উদ্বোধনী ব্যাটিংয়ের সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যেই। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধান পেরোনোর আগেই অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ হয়ে উঠলেন এই অজি ব্যাটার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে যেমন আবির্ভূত হয়েছিলেন দলের ত্রাণকর্তা হিসেবে, দ্বিতীয় ইনিংসেও যেন তারই পুনরাবৃত্তি! প্রথম ইনিংসে একের পর এক ব্যাটারের সাজঘরে প্রত্যাবর্তনের মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩৯০ রানে উন্নীত করতে রেখেছিলেন সবচেয়ে বড় ভূমিকা, খেলেছিলেন ক্যারিয়ারসেরা ১৯০ রানের অনবদ্য ইনিংস। ঠিক তেমনই এই ইনিংসেও সাজঘরে ফেরার আগে রেনশো তুলে নিলেন ৮২ রান!

Share via
Copy link