ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে আফগানিস্তান। ব্যাটারদের বড় সংগ্রহের পর রশিদ খানের বিধ্বংসী স্পিন আক্রমণে কুপোকাত হয়ে লক্ষ্য থেকে অনেক আগেই থেমে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।
আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৯৪ রানের সংগ্রহ গড়ে তারা। দলের শক্ত ভিত গড়ে দেন ওপেনার সেদ্দিকুল্লাহ অটল, যিনি ১০২ রানের এক অনবদ্য শতক উপহার দেন। অন্যপ্রান্তে ইব্রাহিম জাদরানও চমৎকার ব্যাটিং করে ৯০ রানের এক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।
২৯৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগান বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেন আফগান অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার রশিদ খান। মধ্যভাগে তাঁর একের পর এক স্পিন ভেলকিতে ধসে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং মেরুদণ্ড।

ম্যাচের ৩২তম ওভারে সেট ব্যাটার রায়ান বার্লকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে নিজের প্রথম আঘাত হানেন রশিদ। নিজের পরবর্তী ওভারেই ফের নিচু হওয়া এক ডেলিভারিতে মাত্র পাঁচ রানেই সাজঘরে ফেরান ওয়েসলি মাধেভেরে।
জিম্বাবুয়ের হয়ে একা লড়াই চালানো সিকান্দার রাজাকেও এক নিখুঁত গুগলিতে বোল্ড করেম রশিদ। পরবর্তীতে আর্নেস্ট মাসুকুকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের লড়াইয়ের আশা পুরোপুরি শেষ করে দেন এই লেগ স্পিনার।
শেষ পর্যন্ত ৩৮ ওভার চার বলে ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। জিম্বাবুয়ে যখন রান তাড়ায় পিছিয়ে পড়েছিল, তখন তাদের সমীকরণটা ২৯৫ থেকে নেমে ১৯৬ রানে এসে দাঁড়িয়েছিল। ম্যাচ ফলাফল যা-ই হোক না কেন, ১৯৬ রান করতে পারলেও তারা ফাইনালে চলে যেত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৩৬ রানেই সমাপ্তি ঘটে তাদের ইনিংস। তাই ফাইনাল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ম্যাচের দিকে চেয়ে থাকতে হবে সিকান্দার রাজাদের।












