বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ সিরিজ। প্রথম ম্যাচ থেকেই তাই দরকার কনফিডেন্ট স্টার্ট, দরকার সেরা কম্বিনেশনে মাঠে নামা। কিন্তু কেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ? কোন পজিশনে থাকছে চমক?
ওপেনিং পেয়ার একেবারেই চূড়ান্ত! সাদমান ইসলামের সঙ্গে থাকবেন তানজিদ হাসান তামিম। দুজনই আছেন ভালো ফর্মে, আগের সিরিজেও পেয়েছেন রানের দেখা। এবার পালা সেই মোমেন্টাম ধরে রাখার। তিনে থাকবেন মমিনুল হক সৌরভ, এরপর ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পাঁচে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। এই পজিশনগুলোতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ নেই কোনো। তাও আবার এমন গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে!
যদিও, মুশফিকও ম্যাচের আগেরদিন অনুশীলনে আঘাত পেয়েছেন হাতে। তাই তাঁকেও নিয়ে আছে শঙ্কা। তবে এই মুহুর্তে সবার কৌতূহল লিটন কুমার দাসকে নিয়ে। নিয়মিত ছয় নম্বরে খেলা লিটন দাসকে কি পাওয়া যাবে? নাকি ফিটনেসের শঙ্কায় প্রথম ম্যাচ থেকেই ছিটকে যাবেন তিনি? লিটনকে পাওয়া না গেলে সুযোগ তৈরি হতে পারে জাকের আলী অনিকের সামনে। শেষ পর্যন্ত লিটন, নাকি জাকের, ছয় নম্বর পজিশনে কে থাকছেন, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন! অন্যদিকে মুশফিক খেলতে না পারলে লিটন-জাকের দু’জনকেই দেখা যেতে পারে একাদশে।

তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদের সঙ্গে তৃতীয় পেসার হিসেবে দেখা যেতে পারে এবাদত হোসেন কিংবা শরিফুল ইসলামকে। নাকি মিরপুরের উইকেটের কথা মাথায় রেখে বাড়তি স্পিনার খেলানোর পরিকল্পনা করবে টিম ম্যানেজমেন্ট?
তাহলে মিরাজ ও তাইজুলের সঙ্গে তৃতীয় স্পিনার হিসেবে সুযোগ পেতে পারেন নাঈম হাসান। তবে উইকেট স্পোর্টিং হলে একাদশে জায়গা হারাতে পারেন নাঈম, সুযোগ মিলতে পারে শরিফুলের। অর্থাৎ, শেষ মুহূর্তে একাদশের কম্বিনেশন বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না!
তবে মিরপুরে টেস্টের চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে স্পিনাররা হয়ে উঠতে পারেন গেম চেঞ্জার। তাই উইকেট যতই স্পোর্টিং হোক, স্পিনকে একেবারে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগই নেই।












