স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয়

ব্যাট হাতে লড়াইয়ের মাঝেই হঠাৎ থমকে গেলেন তাওহিদ হৃদয়। বাঁ পায়ের হাঁটুর ঠিক নিচে তীব্র ব্যথায় কাতর হয়ে মাঠেই বসে পড়লেন বাংলাদেশের এই ব্যাটার। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হলো তাঁকে।

ব্যাট হাতে লড়াইয়ের মাঝেই হঠাৎ থমকে গেলেন তাওহিদ হৃদয়। বাঁ পায়ের হাঁটুর ঠিক নিচে তীব্র ব্যথায় কাতর হয়ে মাঠেই বসে পড়লেন বাংলাদেশের এই ব্যাটার। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হলো তাঁকে।

জশুয়া বিশপের করা ওভারে ক্রিজে ছিলেন হৃদয়। অফ স্টাম্পের বাইরে ঘুরে যাওয়া বলটি স্কয়ার কাট করে কভারের দিকে পাঠান তিনি। এরপর এক রান নিতে গিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে দৌড়ান। ক্রিজে পৌঁছানোর পর আর স্বাভাবিক থাকতে পারেননি। বাঁ পা চেপে ধরে আবারও বসে পড়েন মাটিতে।

পরিস্থিতি দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন আম্পায়াররাও। মাঠে ছুটে আসেন ফিজিও। হৃদয়কে শুইয়ে দেওয়া হয় ফিজিওর ব্যাগের ওপর, মাথার নিচে দেওয়া হয় ভর। কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাকা হয় স্ট্রেচার।

বাংলাদেশের শিবিরে তখন উদ্বেগ, কতটা গুরুতর হৃদয়ের চোট? শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করেই মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ৪২ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তাঁর জায়গায় ব্যাট হাতে নামেন লিটন দাস।

প্রাথমিকভাবে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিংবা নিছক ক্র্যাম্পও হতে পারে। তবে চোটের প্রকৃতি ও মাত্রা নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার অপেক্ষা করতে হবে। মুশফিকুর রহিমের ইনজুরিতে একাদশে আসেন, অথচ তাঁকেই ফিরতে হল ইনজুরি নিয়ে। আদৌ কতটা গুরুতর হৃদয়ের ইনজুরি? সময়ই দেবে এই প্রশ্নের জবাব।

Share via
Copy link