নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

দেশের বাইরে প্রথম স্বীকৃত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে নেমেই একাদশে জায়গা, তাও আবার ওপেনিংয়ে! নেপালের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শেখ মেহেদীর নতুন অভিজ্ঞতার শুরুটা ছিল নাটকীয়তায় ভরা। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে নিজের ছন্দ খুঁজে নেন। শেষ পর্যন্ত ২১ বলে ৩২ রান, চারটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ১৫২.৩৮। খেললেন কার্যকর এক ইনিংস।

দেশের বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এর আগে কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন মেহেদী। তবে সেই আসর আইসিসির স্বীকৃত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ছিল না। ফলে নেপাল প্রিমিয়ার লিগের এই ম্যাচ তাঁর ক্যারিয়ারে যোগ করল নতুন এক অভিজ্ঞতা।

মেহেদীর ইনিংসের সবচেয়ে ঝলমলে অধ্যায়টি আসে ষষ্ঠ ওভারে। সুদূর পশ্চিম রয়্যালসের বোলার অনিল খারেলকে টানা দুই বলে চার হাঁকিয়ে নিজের আগ্রাসনের জানান দেন তিনি। পরের বলেই আকাশে তুলে দেন বল, তবে ক্যাচটি তালুবন্দি করতে পারেনি প্রতিপক্ষ। সেই সুযোগে দুই রানও আদায় করেন মেহেদী। ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। আর সেই গল্পে স্বস্তি কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। খারেলের পরের বলেই ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে। যে ওভারে বাউন্ডারির ঝংকার, সেই ওভারেই ইনিংসের যবনিকা।

ব্যাট হাতে ঝলক দেখানোর পর বল হাতেও অবদান রাখেন মেহেদী। চার ওভার বোলিং করে ৩১ রান খরচায় তুলে নেন একটি উইকেট।

অন্যদিকে, সাকিব আল হাসানের ব্যাটে ছিল না তেমন কোনো ঝলক। একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৬ বলে করেছেন ১৪ রান। তবে ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ না হলেও বল হাতে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। চার ওভার বোলিং করে ২৪ রান দিয়ে নিয়েছেন একটি উইকেট।

হিমালয়ের দেশে নতুন অভিজ্ঞতা মোটাদাগে কিছুটা অম্লমধুর হলো লাল-সবুজের এই দুই অলরাউন্ডারের!

লেখক পরিচিতি

আল ওয়াসি তালুকদার

সাব এডিটর

Share via
Copy link