ডিএফবি পোকালের দ্বিতীয় রাউন্ডে এফসি মাগডেসবার্গকে ৬-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ষোলো নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। বাভারিয়ানদের এই দুর্দান্ত জয়ে সম্পূর্ণ আলো কেড়ে নিয়েছেন ফরাসি উইঙ্গার মাইকেল ওলিসে। নিজের দুর্দান্ত ছন্দে পুরো ম্যাচজুড়ে মাগডেসবার্গের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখেছিলেন তিনি।
বায়ার্নের করা ছয়টি গোলের তিনটিতেই অবদান রেখেছেন ওলিসে। ম্যাচে দুইটি গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করেছেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই বায়ার্ন তারকা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় বায়ার্ন। খেলার বয়স যখন মাত্র দশ মিনিট, তখনই ইসমাইল সাইবারির বাড়ানো পাস থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়িয়ে বায়ার্নকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন মাইকেল ওলিসে।

যদিও মাগডেসবার্গ দ্রুতই সমতা ফেরানোর চেষ্টা করে, তবে ২১ মিনিটে ফের ত্রাতা হয়ে আসেন এই ফরাসি তারকা। এবার তিনি নিজে গোল না করে অত্যন্ত নিখুঁত এক থ্রু বল বাড়িয়ে দেন ইসমাইল সাইবারির উদ্দেশ্যে। যা থেকে ফিনিশিং করে বায়ার্নকে আবারও ২-১ ব্যবধানের লিড এনে দেন সাইবারি।
প্রথমার্ধে এই ব্যবধান বজায় রেখে বিরতিতে যাওয়ার পর, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ৪৯ মিনিটে বাঁ প্রান্তে আলফানসো ডেভিস প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন।
৫০ মিনিটে সেই পেনাল্টি স্পট থেকে বাঁ পায়ের জোরালো ও নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি পূর্ণ করেন ওলিসে। ওলিসের এই জোড়া গোল এবং অ্যাসিস্টের সুবাদেই মাগডেসবার্গের ঘুরে দাঁড়ানোর সব আশার আলো নিভে যায়।

এরপর বদলি খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে ব্যবধান আরও বাড়ে। আলফানসো ডেভিস, ন্যাথানিয়েল ব্রাউন এবং তরুণ দাভিদ সান্তোস একে একে গোল করলে ৬-১ গোলের অভাবনীয় এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাভারিয়ানরা। তবে পুরো সময়জুড়ে ওলিসের এই বিধ্বংসী পারফরম্যান্সই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে দেয়।











