সাকিব আল হাসান যখন থেকে অঘোষিত অবসরে গেলেন, তখন থেকেই তাইজুল ইসলাম একটা ছায়া থেকে বের হলেন। সাকিবের মূল জায়গার আসনটাই বসে পড়লেন। টেস্টে ২০০ উইকেটের দেখাও পেয়েছেন এই সময়ে। তবে বর্তমানে তাইজুল একেবারেই শেষ সময়ে দাঁড়িয়ে। শেষ চার ম্যাচে সাত ইনিংসে উইকেট নিয়েছেন পাঁচটি, বয়স ৩৫-এর কোটায়। এই দুটো জিনিস এক করলে দাঁড়ায়, তাইজুলের ম্যাজিক আসলে শেষের সুর তুলেছে।
সিলেটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ছয়, আর জিম্বাবুয়েতে একাই সাত উইকেট তুলে নেওয়া। তাইজুলের শেষ সাফল্য বলতে এটাই। অবশ্য এর আগে ধারাবাহিকভাবেই বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন সুনামের সাথে। তবে সমস্যার উৎপত্তি অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকেই।

স্পিনারদের জন্য ডিফিকাল্ট অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে। যদিও সেখানেই মেহেদী হাসান মিরাজ ফাইফার তুলেছেন। সেই ব্যাপারটা পাশে সরিয়ে রাখলে আসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চিরায়ত স্পিনিং কন্ডিশনে ব্যর্থতার কথা। দুই টেস্ট মিলিয়ে শিকার করেছেন এক উইকেট। আর ব্যর্থতার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে মাত্র দুই উইকেট। শেষ ম্যাচে সাত ইনিংসে শিকার সব মিলিয়ে পাঁচটি।
তাইজুল দলের স্ট্রাইক বোলার। বাংলাদেশ স্পিনিং ট্র্যাক বানানোর পরিকল্পনা করে তাঁকে ঘিরেই। তবে তিনিই যদি শেষ চার ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকার করেন, তাও আবার পছন্দসই জায়গায়, সেটা বড় রকমের প্রশ্ন রেখে যায়। বয়সটা যে শেষের দিকে ছুটে যাচ্ছে হু হু করে। তবে কি তাইজুল পারফরম্যান্সের গোধূলিলগ্নটা পার করে ফেলেছেন? সাকিবের ছায়া থেকে বেরিয়ে যে আলোয় আলোকিত হয়েছিলেন, সেটা কি ফুরিয়েই গেল?











