চাপ সামলাতে না পারাই কাল হলো ভারতের!

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২৬০ রানের লক্ষ্য যেকোনো দলের ব্যাটারদের জন্য কঠিন পরীক্ষা। তবে ভারতের মতো ব্যাটিং শক্তিতে সমৃদ্ধ দলের কাছে এমন লক্ষ্যও অসম্ভব কিছু নয়। গত ম্যাচেই তো স্বাগতিকদের বোলিং আক্রমণকে লণ্ডভণ্ড করে দেয় টিম ইন্ডিয়া। তবে সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আর সেটা সম্ভব হয়নি। কিউইরা আতিথিয়েতা দিল ভারতীয়দের ৮৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে!

উড়তে থাকা ভারতের ডানা একটু হলেও ছেটে দিল নিউজিল্যান্ড। চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ৮৭ রানের বিশাল পরাজয় স্বঙ্গী হলো শ্রেয়াস আইয়ারের দলের। গ্লেন ফিলিপসের শতকের দিনে তিন ম্যাচের ব্যর্থতা ছাপিয়ে অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল কিউইরা।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২৬০ রানের লক্ষ্য যেকোনো দলের ব্যাটারদের জন্য কঠিন পরীক্ষা। তবে ভারতের মতো ব্যাটিং শক্তিতে সমৃদ্ধ দলের কাছে এমন লক্ষ্যও অসম্ভব কিছু নয়। গত ম্যাচেই তো স্বাগতিকদের বোলিং আক্রমণকে লণ্ডভণ্ড করে দেয় টিম ইন্ডিয়া। তবে এবার আর হলো না।

চিরচেনা ভারতের ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না এদিন। বরং ইনিংসের শুরুতেই এমন বিপর্যয় নামল, যেন তাসের ঘরের মতো একের পর এক ভেঙে পড়ল ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে নিউজিল্যান্ড। গ্লেন ফিলিপসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি আর মাইকেল ব্রেসওয়েলের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতকে ২৬০ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় স্বাগতিকরা।

ফিলিপস ৪৯ বলে ১০৭ এবং ব্রেসওয়েল মাত্র ২৫ বলে ৬৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দেখেন প্যাভিলিয়নের পথ। দুজনের ব্যাটিং তাণ্ডবেই নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ গড়ে কিউইরা।

ভারত রান করছিল না, এমন না। লক্ষ্য যে বিশাল সেই অনুযায়ী তারা ঠিকই এগিয়ে যাচ্ছিল আপন মহিমায়। কিন্তু পাওয়ারপ্লেতে ৫৩ রান তুললেও হারাতে হয় ২ উইকেট। সেই দুই উইকেটই যায় মাত্র চার রানের মাথায়। তাতে যেকোনো দলই চাপে পড়বে সেটাই বরং স্বাভাবিক। এরপর ইনিংসের সপ্তম ওভারের মধ্যেই স্কোরবোর্ডে ৭০ রান জমা করতে গিয়ে চার উইকেট হারিয়ে বসে ভারত।

২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে প্রয়োজন ছিল বড় জুটির। সেখানেই মোটাদাগে ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটাররা। একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে বড় জুটির সম্ভাবনা একেবারেই ফিঁকে হয়ে যায়। অভিষেক শর্মা পারেননি, বৈভব সুরিয়াভানশিও নেই একাদশে।

শেষের দিকে তিলক ভার্মা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তা কেবলই মরিচীকা। শেষ অবধি নিউজিল্যান্ডের জয়, সান্ত্বনারও বলা চলে। কেননা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা তো সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে আরও আগেই!

লেখক পরিচিতি

আল ওয়াসি তালুকদার

সাব এডিটর

Share via
Copy link