রোহিতের ‘মুম্বাই’ দখলের দেড় দশক

অধিনায়ক হিসেবে ৮৭ জয় নিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির ঠিক পরেই অবস্থান হিটম্যানের। শুধু যে অধিনায়ক হিসেবেই অনন্য রোহিত তা কিন্তু নয়। ব্যাটার হিসেবেও তাঁর রেকর্ড ঈর্ষা করার মতো।

ডেকান চার্জার্সের হয়ে খেলেছিলেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রথম তিন আসর। ২০০৯ সালে বিজয়ীর মুকুট মাথায় তোলার পাশাপাশি করেছিলেন একটি হ্যাটট্রিকও। এরপর শচীন টেন্ডুলকারের ডাকে ১৫ বছর আগে পা রাখেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ঘরে। রোহিত শর্মার জন্য আক্ষরিক অর্থেই, বাকিটা ইতিহাস।

শচীন টেন্ডুলকার তখন আইপিএলে মুম্বাইয়ের অধিনায়ক। লিটল মাস্টারের ব্যক্তিগত পছন্দতেই রোহিত শর্মাকে দলে ভেড়ানো হয়। প্রথম দুই আসরে ভালো ব্যাট করলেও দল করতে পারেনি মনে রাখার মতো কিছুই। এরপর আসলো ২০১৩ সালের আইপিএল।

কিছু ম্যাচ পরেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান অজি কিংবদন্তি রিকি পন্টিং। অনাকাঙ্খিতভাবে অধিনায়কের ব্যাটন তখন হাতে পান রোহিত। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তরুণ নেতার দেখানো পথে চ্যাম্পিয়ন হয় মুম্বাই।

ধীরে ধীরে সময় বয়ে গেছে। এরই সাথে রোহিত আরও ক্ষুরধার নেতায় পরিণত হয়েছেন। দলকে ফাইনালে তুলেছেন মোট পাঁচবার। জিতেছেন সবকটিতেই। তার মধ্যে আবার ২০১৯-২০২০ সালে পরপর দুইবার আইপিএলের শিরোপা জিতেছেন।

অধিনায়ক হিসেবে ৮৭ জয় নিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির ঠিক পরেই অবস্থান হিটম্যানের। শুধু যে অধিনায়ক হিসেবেই অনন্য রোহিত তা কিন্তু নয়। ব্যাটার হিসেবেও তাঁর রেকর্ড ঈর্ষা করার মতো। মুম্বাইয়ের হয়ে একা হাতেই করেছেন ছয় হাজারেরও অধিক রান।

কালের পরিক্রমায় রোহিত এখন আর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক নন। কিন্তু, অধিনায়ক কিংবা ব্যাটার হিসেবে মুম্বাইয়ের হয়ে গত ১৫ বছর ধরে যা করে আসছেন সেটাকে অবিশ্বাস্য না বলে কি উপায় আছে?

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link