একেবারে ক্যাপ্টেন্স নক বলতে যায় বোঝায় আরকি! চারিথ আসালাঙ্কা তেমনই এক ইনিংস খেললেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। দলের যেটুকু সংগ্রহ তার সিংহভাগের কৃতীত্ব তারই প্রাপ্য। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি প্রতিকূল পরিবেশের সামনে দাঁড়িয়ে।
টসে জিতে ব্যাটিং নেয় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। সেই সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তাসকিন আহমেদ। পিনপয়েন্ট লাইন-লেন্থ, দুই দিকেই সুইংয়- সবকিছু মিলিয়ে লঙ্কান টপ অর্ডার নড়বড়ে। ২৯ রানেই নেই তিন উইকেট। তেমন পরিস্থিতিতে অ্যাডামস পিকের মত দৃঢ়তা নিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন আসালাঙ্কা।

প্রতিটি শটে তিনি যেন বলতে চাইলেন, লঙ্কান দলের ইনিংসের পথপ্রদর্শক তিনিই। ছোট ছোট জুটি হয়, কিন্তু অপরপ্রান্তে কেউই স্থায়ী নয়। তবুও সংগ্রাহ, লড়াই একাই চালিয়ে গেলেন চারিথ আসালাঙ্কা। অধিনায়কের একটা দায়িত্ব আছে না?
১২৩ বল খেলে ১০৬ রান করেছেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী ভীষণ কার্যকর ও সময়োপযোগী এক ইনিংস খেললেন তিনি। নতুবা আরও আগেই বোতল বন্দী হয়ে যেত গোটা লঙ্কান শিবির। যদিও প্রেমাদাসার উইকেটে ২৪৪ রানের সংগ্রহ যথেষ্ট নয়। তবুও পুঁজি হিসেবে তা মন্দ নয়।

একটা প্রান্ত আগলে রেখে লম্বা পথটা পাড়ি দিয়েছেন আসালাঙ্কা। তবে মোটেও খোলসবন্দী হননি। বাজে বলকে সীমানা ছাড়া করতে তিনি ছিলেন দ্বিধাহীন। দায়িত্বশীলতা আর বুদ্ধিমত্তার দারুণ প্রদর্শন ঘটিয়েছেন চারিথ আসালাঙ্কা। বাকি কাজটা অবশ্য তাদের বোলারদেরই করতে হতো।











