হাসারাঙ্গা জুজুতে কুপোকাত ইমন

হাসারাঙ্গাকে অতিরিক্ত সাবধানে খেলতে গিয়ে উলটো নিজের ক্ষতি ডেকে এনেছেন ইমন। তাতে করে সময় নিয়ে সেট হওয়া ইনিংসটি হয়নি দীর্ঘায়িত। ৮০-৯০ ছাড়িয়ে শতকের দুয়ারে পৌঁছাতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমন।

স্রেফ দুই বলে ৪০ থেকে পঞ্চাশ রানে পৌছালেন পারভেজ হোসেন ইমন। আত্মবিশ্বাসের সাথে তুলে নেন নিজের প্রথম ওয়ানডে হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু এরপরই যেন তালগোল পাকিয়ে যায়। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা নামক জুজুর ভয়ে কাবু হতে শুরু করে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। বাদ যাননি সদ্যই অভিষেক ঘটা ইমনও।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক ঘটে পারভেজ হোসেন ইমনের। প্রথম ম্যাচে সেই অর্থে জ্বলেনি তার ব্যাটের আগুন। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি করলেন দারুণ শুরু। একটু রয়ে সয়ে উইকেটে সেট হয়েছেন। আগের দিনের হাফসেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম দ্রুত ফিরে গেলেও বিচলিত হননি ইমন।

আপন গতিতে চালিয়েছেন ব্যাট। এগিয়েছে বড় সংগ্রহের দিকে। একটা পর্যায়ে উইকেটের সাথে মেলবন্ধন হয়ে যায় ঠিকঠাক। তারপর ব্যাট চালিয়ে রান তুলেছেন বলের সাথে পাল্লা দিয়ে। স্রেফ ৪৬ বলে পঞ্চাশ রানের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন ইমন।

এরপর তার রান তোলার গতি স্তিমিত হয়ে যায়। ৬৭ রানের মাথায় ওই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার গুগলিতে পরাস্ত হন ইমন। ৬৯ বল খেলে তিনি ফেরেন প্যাভিলিয়নে। অর্থাৎ, ফিফটির পর আরও ২৩ বল প্রয়োজন হয় তার ১৭টি রান তুলতে। এর মধ্যে অবশ্য একটি বাউন্ডারিতে চারটি রান যুক্ত হয়েছিল তার নামের পাশে।

ফিফটি হওয়ার পর আউট হওয়া বল-সহ মোট নয়টি বলে কোন প্রকার রান নিতে পারেননি ইমন। হাসারাঙ্গাকে অতিরিক্ত সাবধানে খেলতে গিয়ে উলটো নিজের ক্ষতি ডেকে এনেছেন ইমন। তাতে করে সময় নিয়ে সেট হওয়া ইনিংসটি হয়নি দীর্ঘায়িত। ৮০-৯০ ছাড়িয়ে শতকের দুয়ারে পৌঁছাতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমন।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link