এক ফিল সল্টের ইনিংসের কাছেই যেন পরাস্ত হল শ্রীলঙ্কা। যেই স্পিনবিষে ইংলিশদের কাবু করার ছক কষেছিল শ্রীলঙ্কা, সেই স্পিনবিষে নীল হয়েছে লঙ্কান ব্যাটিং অর্ডার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লড়াই অবধি করতে পারেনি পাথুম নিসাঙ্কারা। হেরেছে ৫১ রানের বড় ব্যবধানে।
পালেকেল্লেতে ছিল মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। সেই আকাশের নিচে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে নিমন্ত্রণ জানান লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা। সিদ্ধান্ত ফলপ্রসূ হয়ে ধরা দেয় দুনিথ ওয়েলালাগের কল্যাণে। চাপে ফেলে জশ বাটলারের উইকেট তুলে নেন ওয়েলালাগে। এরপর ইংলিশ কোন ব্যাটারই দীর্ঘক্ষণ টিকতে পারেননি বাইশ গজে, একমাত্র ফিল সল্ট ছাড়া।

স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ফিল সল্ট খেলেন ৪০ বলে ৬২ রানের ইনিংস। তাতে করে বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ১৪৭ রান। দিনশেষে এই রানটাই যথেষ্ট প্রমাণিত হয় লঙ্কানদের বিরুদ্ধে। লঙ্কান ব্যাটিং অর্ডারে প্রথম আঘাত করেন জোফরা আর্চার। এরপর উইল জ্যাকস এক বলের ব্যবধানে তুলে নেন কুশল মেন্ডিস ও পাভান রত্নানায়েকের উইকেট।
আর্চার কামিল মিশারার উইকেট তুলে নিলে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার ধ্বসে পড়ে। এদিন মিডল অর্ডারও কোন প্রকার প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। আদিল রশিদ, লিয়াম ডসনরা উইকেট তুলে নিতে থাকেন নিয়মিত বিরতিতে। তাতে করে স্রেফ ৯৫ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। বিপর্যয় নামক খাঁদের কিনারা থেকে উঠে এসে ইংল্যান্ড তুলে নেয় দূর্দান্ত জয়।

এক দাসুন শানাকার ৩০ ছাড়া শ্রীলঙ্কার আর কোন ব্যাটার ২০ রানের গণ্ডিও টপকাতে পারেনি। এতে করে শ্রীলঙ্কার সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্ন প্রবলভাবে আঘাত প্রাপ্ত হল। বাকি থাকা দুই ম্যাচের দু’টোতে জয়ের বিকল্প নেই শ্রীলঙ্কার সামনে। অন্যদিকে দুই পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-২ এর শীর্ষস্থান নিজেদের দখলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। এই জয়ই হয়ত খুলে দিতে পারে তাদের জন্য সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ।











