কোহলি আসলে কতটা ইমপ্যাক্টফুল!

ইমপ্যাক্ট ক্রিকেট , বর্তমানে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত এক শব্দ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর থেকে এখন অবধি সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দের তালিকায় প্রথম সারিতেই থাকবে ইমপ্যাক্ট। এবার দেশের গন্ডি পেরিয়ে বাইরেও ইমপ্যাক্টের ছোঁয়া।

ইমপ্যাক্ট ক্রিকেট , বর্তমানে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত এক শব্দ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পর থেকে এখন অবধি সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দের তালিকায় প্রথম সারিতেই থাকবে ইমপ্যাক্ট। এবার দেশের গন্ডি পেরিয়ে বাইরেও ইমপ্যাক্টের ছোঁয়া।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলিকে ইমপ্যাক্টফুল ক্রিকেট খেলার পরামর্শ দিলেন সাবেক ভারতীয় ব্যাটার গৌতম গম্ভীর। বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ার্মআপ ম্যাচের আগে ভারতীয় টিভি চ্যানেল স্টার স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিরাট কোহলির ব্যাট বরাবরই জ্বলে ওঠে। ২০১৪ সালে অ্যাডিলেডে দুর্দান্ত ১৪১ রান ও ২০১৬ সালে পর পর দুই ওয়ানডে ম্যাচে শতক সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলো। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাঁচ অর্ধ শতকে ৪৫১ রান করেছেন বিরাট কোহলি।

অস্ট্রেলিয়া সফরকারী কোনো ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ও সব মিলিয়ে তৃতীয় সেরা। এইসব পরিসংখ্যান নিয়ে টিভিতে দেখানো এক প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সঞ্চালক গম্ভীরকে ‘এবারের বিশ্বকাপে বিরাটের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ কেমন হওয়া উচিত’ তা নিয়ে জিজ্ঞেস করলে গম্ভীর বলেন, ‘রান করার এপ্রোচ নিয়েই খেলতে হবে। এটার জন্য আবার মানসিকতার প্রয়োজন কেন হবে? একজন ব্যাটসম্যান খেলেই রান করার জন্য। বোলারের ভাবনায় থাকে কিভাবে উইকেট নেওয়া সম্ভব। একজন ব্যাটার হিসেবেও তাঁর রান করার দিকে মনোযোগ রাখতে হবে। এমন সব রান করতে হবে যা দলের প্রয়োজনে কাজে লাগে।’

ইমপ্যাক্টফুল ইনিংস খেলা নিয়ে গম্ভীর বলেন, ‘আপনি ৫০/১০০ করেন কিন্তু দল জিততে পারলো না এই রান দিয়ে দলের কি উপকার হবে। কিন্তু দেখা গেল আপনি দ্রুত ৩০/৪০ করলেন আর দলের এতে ১৭০/১৮০ রানের লড়াকু পুঁজি পেল এতেই দলের ভাল। আপনি দ্রুত রান তোলার ফলে মিডল অর্ডার/ লোয়ার মিডল অর্ডারে চাপ কমে যায় এবং তাদের স্বাভাবিক খেলা সম্ভব হয়।’

বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে ব্যক্তিগত রেকর্ডের কোনো মূল্য নেই জানিয়ে বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় ওপেনার বলেন, ‘আমার মনে হয় আপনি যখন বিশ্বকাপে খেলতে যাবেন তখন সেখানে ব্যক্তিগত সাফল্যের কোনো মূল্য নেই। আপনার দল যদি ভালো না করে বিদায় নেয় দিন শেষে সম্পূর্ণ দলের সাথে আপনাকেও সমর্থকদের ক্ষোভের শিকার হতে হবে।’

বিরাট কোহলির ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে গৌতম গম্ভীর তার অন্যতম শুভাকাঙ্ক্ষী থাকলেও ২০১৩ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম বেঙ্গালুরুর এক ম্যাচ দিয়ে তাদের সম্পর্ক বদলে যায়। লক্ষ্মীপতি বালাজির বলে আউট হয়ে বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক বিরাট কোহলি তাকে স্লেজিং করলে কলকাতার অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর এর প্রতিবাদ জানায়। এরপর থেকেই সম্পর্কে অবনতি হয় ভারতের গ্রেট দুই ব্যাটারের। এরপর থেকে সুযোগ পেলেই গৌতম গম্ভীর বিরাট কোহলিকে খোঁচা মারতে ছাড়েন না।

বলাই বাহুল্য, ভারত আগামী ২৩শে অক্টোবর মেলবোর্নে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
Loading...