ফর্ম খুব একটা ভাল যাচ্ছিল না জাকের আলী অনিকের। সেই অর্থে ব্যাটে রান ছিল না। তবুও ভরসা ছিল তার উপর। সেই ভরসার প্রতিদান অবশেষে দিলেন জাকের। পাকিস্তানের বিপক্ষে বেশ গুরুত্বপূর্ণ এক ইনিংস খেললেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার সুযোগ। এমন ম্যাচে দলের অধিকাংশ ব্যাটারই খেই হারালেন। শেরে বাংলার চিরায়ত স্লো উইকেটে প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশ দল খাবি খেয়েছে পাকিস্তানের বোলারদের বিপক্ষে।
তবে একটা প্রান্ত আগলে রেখে জাকের দলকে মোটামুটি একটা পুঁজি অন্তত এনে দিলেন পারলেন। ব্যক্তিগত ফিফটিও হাঁকালেন তিনি। আউট হওয়া বলটা সহ মোট ২৩টি বল ডট দিলেও, পাঁচটি সুবিশাল ছক্কায় রানের সাথে পাল্লা দিয়েছেন ঠিকঠাকভাবে।

প্রায় ১১৫ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি অন্তত বাংলাদেশকে একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়তে দেয়নি। পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে বাইশ গজে নেমে দশম ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন ইনিংসের শেষ বলে। অপরপ্রান্তে কেউ তেমন সঙ্গ দিতে পারেননি। মাঝে অবশ্য শেখ মেহেদীর সাথে সময়োপযোগী একটা জুটি গড়তে পেরেছিলেন।
৫৩ রানের সেই জুটিই বরং বাংলাদেশের মাঝারি মানের সংগ্রহকে ভিত্তি দিয়েছিল। তবে শেষ অবধি ১৩৩ রানে পৌঁছানোর কৃতীত্ব অবশ্য জাকেরের প্রাপ্য। দলের বাকিদের ব্যর্থতার দিনে তিনি একটা প্রান্ত আগলে রেখে ৫৫ রানের একটি লড়াকু ইনিংস খেলেছেন জাকের।
শেষের দিকে তার ছক্কাগুলো বিষাদের মলিন পর্দায় খানিকটা রঙ ছিটিয়েছে। তাছাড়া বাজে সময় কাটিয়ে ওঠার একটা শুরু অন্তত পেলেন জাকের। এখন তার কাছ থেকে স্রেফ ধারাবাহিকতাই তো প্রত্যাশিত। স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি যে হয়ে উঠেছেন টি-টোয়েন্টিতে টাইগারদের ভরসার প্রতীক।












