ফরম্যাট বদলালেও জয়ের ব্যাট অপ্রতিরোধ্য

ঘরোয়া ক্রিকেটে মাহমুদুল হাসান জয় যেন পরিণত হচ্ছেন রান মেশিনে। সেই ধারাবাহিকতায় আরও এক শতক হাঁকালেন। জাতীয় ক্রিকেট লিগের উদ্বোধনী দিনে দেখালেন নিজের ঝলক।

ঘরোয়া ক্রিকেটে মাহমুদুল হাসান জয় যেন পরিণত হচ্ছেন রান মেশিনে। সেই ধারাবাহিকতায় আরও এক শতক হাঁকালেন। জাতীয় ক্রিকেট লিগের উদ্বোধনী দিনে দেখালেন নিজের ঝলক।

চট্টগ্রামের হয়ে ওপেনিংয়ে নামলেন আত্মবিশ্বাসে ভর করে। এক প্রান্তে সাদিকুর রহমান, মুমিনুল হকরা ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলেন। শাহাদাত হোসেন দিপুও থিতু হতে পারলেন না। অগত্যা ইয়াসির আলী চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ।

জয় ক্রিজে থাকা মানেই দৃষ্টিনন্দন শটের ফুলঝুরি। আজও তাই হলো। ফিফটি পেরিয়ে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁলেন। রানের সাগরে যে ডুবে আছেন তিনি। ১৫ চার আর দুই ছক্কায় ইনিংস সাজালেন। শেষ পর্যন্ত করলেন ১২৭ রান।

পুরোটা সময় বোলারদের চাপে রেখেছেন, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ রেখেছেন নিজের হাতে। দলের বিপদে দাঁড়িয়েছেন ঢাল হয়ে। আর তাতেই ইনিংসের চিত্রটা একেবারেই বদলে গেছে। ইনিংস শেষে চট্টগ্রামের স্কোরবোর্ডে এসেছে ৪০১ রানের পাহাড়সম স্কোর।

কিছুদিন আগে শেষ হওয়া এনসিএল টি-টোয়েন্টিতেও জয়ের ব্যাট ছিল অপ্রতিরোধ্য। ছিলেন আসরের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক, সেখানেও ছিল শতক। এবার সেই ফর্মটাই টেনে আনলেন চার দিনের ম্যাচেও। প্রথম ম্যাচেই শতক হাঁকিয়ে জানান দিলেন ব্যাট হাতে পার করছেন সেরা সময়।

এনসিএলের সূচনাটা জয় করলেন দারুণভাবে। প্রতিনিয়ত ধারাবাহিকতার প্রতিফলন ঘটিয়ে যাচ্ছেন ব্যাট হাতে। ফরম্যাট বদলানোর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতেও পারছেন সুচারুভাবে। এখন আসর শেষে তাঁর রানসংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়—সেটাই দেখার বিষয়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link