পাকিস্তান সুপার লিগের মঞ্চে লাহোর কালান্দার্স এক অগ্নিগর্ভ নাম। তিনবার শিরোপা জয়ী দলটা কখনো ছাই হয়ে গেছে, আবার সেই ছাই থেকেই জ্বলে উঠেছে আগুন হয়ে। এবারও কি সেই আগুনে পুড়বে প্রতিপক্ষ? নাকি আবারও দোলাচলে ভাসবে শাহীন শাহ আফ্রিদির দল?
দলের নেতৃত্বে আছেন শাহীন। গতি, আগ্রাসন আর আগুন ঝরানো স্পেল যার পরিচয়। নতুন বল হাতে তিনি মানেই প্রতিপক্ষ ব্যাটিং লাইনআপে আতঙ্কের অন্য নাম। তার পাশে রয়েছেন ভয়ংকর পেসার হারিস রউফ। দুজনের যুগলবন্দি যে তাই ভয়ঙ্কর কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ব্যাটিং লাইনআপে লাহোরের শক্তি বরাবরের মতোই বিস্ফোরক। ওপেনিংয়ে ফখর জামান, তার সাথে রয়েছেন তরুণ প্রতিভা আবদুল্লাহ শফিক। মাঝের সারিতে শক্তি যোগ করবেন আসিফ আলী—শেষের ঝড়ে ম্যাচ ছিনিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা যার পুরনো অভ্যাস।

বিদেশি কোটায় দলটি বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। অভিজ্ঞতা আর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে সিকান্দার রাজা হতে পারেন দলের মেরুদণ্ড। সাথে আছেন দাসুন শানাকা, টি-টোয়েন্টির পরীক্ষিত ফিনিশার। স্পিন বিভাগে রয়েছে বৈচিত্র্য—দুনিথ ওয়ালেলাগে ও গুতাকেশ মতি মিলে তৈরি করতে পারেন ধাঁধা।
লাহোরের ট্রামকার্ড মুস্তাফিজুর রহমান। ডেথ ওভারে কাটার-স্লোয়ারের জাদুতে যিনি ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারেন যেকোনো সময়। বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের লিস্টে তার সাথে তরুণ পারভেজ হোসেন ইমন, যার ব্যাটে রয়েছে আগ্রাসনের ঝলক, সুযোগ পেলে চমক দেখাতে পারেন।
এই স্কোয়াডে তারুণ্য আছে, অভিজ্ঞতা আছে, আছে ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা। কিন্তু সবকিছু মিলিয়ে সফল হতে হলে দরকার একটাই জিনিস—ধারাবাহিকতা। শাহীনের নেতৃত্বে যদি দলটা নিজেদের সেরাটা একসাথে মেলে ধরতে পারে, তাহলে শিরোপার দৌড়ে তারা থাকবে সবার সামনে।












