তিন ওভারে ৪৩ দরকার তখনও। কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়ের আশাটা প্রবলভাবে বেঁচে ছিল। তবে মুকুল চৌধুরী সব আশার আগুনে জল ঢেলে দিলেন। শেষ ওভারে ১৪ রানের হিসাবটা দুই ছক্কায় মিটিয়ে দিলেন। একেবারে পিউর ফিনিশিং টাচ।
এবারের আসরের শুরুটা ভালো হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে তারা নেমেছিল নিজেদের প্রথম জয় পাবে বলে।
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে সামনে থেকে কলকাতাকে নেতৃত্ব দেন আজিঙ্কা রাহানে। অর্ধশতক করতে না পারলেও চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংস। এমনই আরেক ইনিংস আসে অংকৃশ রঘুবংশীর কাছ থেকেও। তবে শুরুর মতো শেষটা ভালো হলো না কেকেআরের। যে রান ২০০-এর গণ্ডি ছাড়াতে পারত সেটা গিয়ে ঠেকল ১৮১-তে।

তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি লখনৌর। দুই ওপেনার কিংবা অধিনায়ক ঋষভ পান্ত, বড় ইনিংস আসেনি কারো কাছ থেকেই। ভরসার নাম নিকোলাস পুরানও ফিরেছেন দলকে আশাহত করেই।
এরপরেই, লখনৌর ব্যাটিংয়ে শক্ত হাল ধরেছিলেন আয়ুষ বাদোনি। তুলে নেন দৃষ্টিনন্দন এক অর্ধশতক। তবে শেষদিকে এসে গল্পটা ঘুরে যায় ভিন্ন দিকে। ম্যাচের লাগাম টেনে ধরে কলকাতা।
বাদোনি ফিরে যাওয়ার পর শেষ প্রদীপটা নিভে যায় লখনৌ। ছয় উইকেট পড়ে গেছে তখনও দরকার ৫৭ রান। হাতে মাত্র ৩২টা বল। সবাই যখন শেষ দেখে ফেলেছে সেখান থেকেই শুরু করলেন মুকুল। একাহাতে টেনে নিয়ে এলেন লখনৌকে। ২৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে আসেন জয়ের বন্দরে। মুকুল যেন রূপকথার সেই নায়ক, যিনি চাইলেন যেকোনো কিছুই সম্ভব। তাতেই তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় লখনৌ, কলকাতার থলিতে জমা হয় আরও এক হতাশা।

Share via:










