পুরনো দ্বৈরথে নতুন বিতর্ক, এবারও জয়ী সৈকত!

এক পুরনো দ্বৈরথ ফিরে এলো এজবাস্টনের শেষ বিকেলে। মুখোমুখি সেই জয়সওয়াল এবং শরফুদ্দৌলা সৈকত। আউটের সিদ্ধান্তে আবারও সেই বিতর্কিত রিভিউ। তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন সৈকতই।

এক পুরনো দ্বৈরথ ফিরে এলো এজবাস্টনের শেষ বিকেলে। মুখোমুখি সেই জয়সওয়াল এবং শরফুদ্দৌলা সৈকত। আউটের সিদ্ধান্তে আবারও সেই বিতর্কিত রিভিউ। তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন সৈকতই।

ঘটনার শুরু অষ্টম ওভারে। ইংল্যান্ড পেসারের করা বল সোজা আছড়ে পড়ে যশস্বীর প্যাডে। এলবিডব্লিউর আবেদনে সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুলে দেন বাংলাদেশি আম্পায়ার সৈকত।

সেই সিদ্ধান্তে শুরুতে দ্বিধায় পড়ে যান জয়সওয়াল। অপর প্রান্তে থাকা কেএল রাহুলের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন তিনি। কিন্তু এই ‘দীর্ঘ’ কথোপকথনই ঘি ঢেলে দেয় আগুনে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, আউট সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করতে হলে ডিআরএস নিতে হয় ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে। কিন্তু মাঠের ঘড়ি বলছে— সেই সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। তারপরও যশস্বী ডিআরএস নেন, এবং আম্পায়ারও সেটি গ্রহণ করেন! এখানেই শুরু বিতর্ক।

ইংল্যান্ড অধিনায়ক ছুটে যান আম্পায়ারের দিকে, দৃশ্যত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, নিয়ম ভেঙে রিভিউ নেওয়া ঠিক হয়নি। তবে ততক্ষণে রিভিউ তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। শেষ পর্যন্ত ফলাফল— তিনটি লাল আলো, অর্থাৎ হিটিং, ইমপ্যাক্ট এবং পিচিং সবই আম্পায়ারের পক্ষে। আউটই ছিলেন জয়সওয়াল।

জয়সওয়াল শেষ পর্যন্ত ২৮ রানেই ফিরেছেন। তবে তার থেকেও বড় হয়ে উঠেছে এই রিভিউ-কাণ্ড। মানুষ মাত্র ভুল হবেই, শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকতও সবসময় ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তবুও সবকিছু ছাপিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন অন্য এক উচ্চতায়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link