মিরাজকে ‘আক্ষেপ’ ফিরিয়ে দিলেন শান্ত

দুই ভিন্ন দৃশ্য, কিন্তু এক ট্র্যাজেডি – ভুল সময়ে ভুল রিভিউ, আক্ষেপে পুড়লো শুধু বাংলাদেশের সম্ভাবনা। নিজের ভাগ্যকে দুষতেই পারেন মিরাজ।

অধিনায়ক হয়ে ডিআরএস মিস করার যন্ত্রনা কেমন – সেটা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই রিভিউ যখন আবার খোদ নাজমুল হোসেন শান্ত নিতে বাধ্য করেন, তাহলে সেটাকে কি বলা যেতে পারে?

প্রকৃতির প্রতিশোধ? হ্যাঁ, যখন অধিনায়ক ছিলেন, তখন এমন অনেক নজীরই দেখা গেছে, যেখানে মিরাজের অতি-উৎসাহী কিংবা অতি-আত্মবিশ্বাসের কারণে রিভিউ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন শান্ত।

এবার সেই যন্ত্রনাটা মিরাজকে ফিরিয়ে দিলেন শান্ত। যেন টিট ফর ট্যাট, যেন যুব পর্যায়ের বন্ধুকে বুঝতে বাধ্য করা, অধিনায়ক হয়ে একটা রিভিউ হারিয়ে ফেলতে কতটা আক্ষেপ লাগে!

প্রথম ২৪ ওভারের মধ্যেই বাংলাদেশ দু’বার ডিসিশন রিভিউ সিস্টের দ্বারস্থ হয়। প্রথমবার শান্তর চাপে, দ্বিতীয়টা লিটন দাসের আগ্রহে। দু’টো সিদ্ধান্তই যায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচেই ডিআরএস ইস্যুতে শতভাগ ব্যর্থ হলেন মিরাজ।

১৯ তম ওভারে কুশল মেন্ডিসের বিপক্ষে কট বিহাইন্ডের আবেদন করে বাংলাদেশ। শান্তর চাপে রিভিউ নেন মিরাজ। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, অভিষিক্ত বাঁ-হাতি স্পিনার তানভির ইসলামের বল বের হয়ে যাওয়ার আগে কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে ছুঁয়ে যায়নি। সেই ওভারেই মেন্ডিসকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন তানভির।

এরপর ২৪ তম ওভারে। তাসকিন আহমেদের বিপক্ষে ব্যাট নামাতে দেরী করেন জানিথ লিয়েনাগে। আম্পায়ার  রুচিরা পাল্লিয়াগুরুগে ছিলেন অটল। লিটন দাস ছিলেন আত্মবিশ্বাসী। তবে, টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায় ইনসাইড এজ। সূক্ষ্ম পার্থক্যটা ধরতে পারেন অনফিল্ড আম্পায়ার।

দুই ভিন্ন দৃশ্য, কিন্তু এক ট্র্যাজেডি – ভুল সময়ে ভুল রিভিউ, আক্ষেপে  পুড়লো শুধু বাংলাদেশের সম্ভাবনা। নিজের ভাগ্যকে দুষতেই পারেন মিরাজ।

লেখক পরিচিতি

সম্পাদক

Share via
Copy link