মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের একটা ফুলার বলে বোল্ড, আবার শেখ মাহেদীর ফ্লাইটে পরাস্ত সৌম্য সরকার। ঠিক যেমন শেষ মুহূর্তে এবার তিনি বোল্ড আউট হয়েছেন এশিয়া কাপের স্কোয়াড থেকে। যদিও অনুশীলনের মত তার কাছে সুযোগ থাকছে। যদিও এশিয়া কাপের স্কোয়াডে না থাকা সৌম্যর জন্যে হতাশার। তবে জুলিয়ান উডের সান্নিধ্য, তাকে নিশ্চয়ই বাড়াচ্ছে আত্মবিশ্বাস।
কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট এলেই সৌম্য সরকার অদ্ভুতভাবে জায়গা পেয়ে যান স্কোয়াডে। সব আসরেই যে তিনি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন ঠিকঠাক, তা কিন্তু নয়। এমনকি বৈশ্বিক সব টুর্নামেন্টে তার বেহাল দশা পরিলক্ষিত হয়েছে প্রতিবার। এই যেমন এশিয়া কাপের কথাই ধরা যাক।
দুই ফরম্যাটে, দু’টো ভিন্ন এশিয়া কাপ খেলেছেন সৌম্য। যার মধ্যে ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাঁচ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৯৪ রান। স্ট্রাইকরেট ছিল মাত্র ১০৬ এর কাছাকাছি। আবার ২০১৮ সালের ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপে তার সংগ্রহ মাত্র ৩৩ রান। তাও মাত্র ৬৬ স্ট্রাইকরেটে।

এই যখন দশা, তখন আবারও সৌম্যকে এশিয়া কাপের দলে নেওয়ার একটা প্রবল গুঞ্জন উঠেছিল। কিসের ভিত্তিতে সে প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়। এবার এশিয়া কাপের মূল স্কোয়াডে তিনি না থাকলেও, স্ট্যান্ডবাই-তে ঠিকই থাকছেন। অর্থাৎ তার সুযোগ একেবারেই নিঃশেষ হয়ে যায়নি।
তাইতো বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পাওয়ার হিটিং কোচ জুলিয়ান উড সৌম্যকেও রেখেছেন নজরদারিতে। এমনকি সৌম্যর ব্যাটিং নিজের ফোনে ভিডিও করতে দেখা গেছে জুলিয়ান উডকে। এরপর আবার উডই সৌম্যকে বলে দিয়েছেন তার ঠিক কোথায় ভুল হচ্ছে। সৌম্যর ব্যাটিং শৈলী বেজায় দৃষ্টিনন্দন। পরিসংখ্যান বা পারফরমেন্সকে আড়াল করলে যে কেউ তার প্রশংসক হয়ে যেতে পারেন। মুগ্ধ হতে পারেন তার ব্যাটিংয়ে।
তেমনটিই হয়ত ঘটেছে জুলিয়ান উডের ক্ষেত্রেও। তাইতো এমন ক্লিনহিট দক্ষতা থাকার পরও কেন ৩২ বছর বয়সেও অনিশ্চিত সৌম্য- তা নিশ্চয়ই ভাবিয়েছে জুলিয়ান উডকে। তাইতো তিনি একটু বাড়তি ‘কেয়ার’ করছেন বা-হাতি এই ব্যাটারের। অন্তত শেষ বিকেলে সৌম্য নামক সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ উডও নিশ্চয়ই প্রত্যাশা করছেন।












