অফ কাটারটা বেগতিক হয়ে এসেছিল কামিন্দু মেন্ডিসের সামনে। কামিন্দু বড় এক ড্রাইভ খেলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অতিরিক্ত বাউন্সে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে যান, আর বলটা সহজেই গিয়ে জমা পড়ে মেহেদীর হাতে, মিড অফে। তাসকিন উদযাপন করলেন, কোমড় দুলিয়ে নাচলেন, আর প্রেমাদাসার উত্তাল গ্যালারি স্তব্ধ করে দিলেন আরেকবার।
ভিনটেজ তাসকিন আহমেদ ইজ ব্যাক! ফিটনেস নেই, বোলিংয়ে পুরনো ছন্দ নেই – নেটে যত যাই মনে হোক না কেন, পাঁচ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠে নেমেই বুঝিয়ে দিলেন, ইনজুরিতে আড়ালে চলে গেলেও তিনি হারিয়ে যাননি। তাসকিনের উদযাপন সেই দু:সময়ের বেড়াজাল ছিড়ে বের হতে পাওয়ার এক আনন্দ বার্তাও বটে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের প্রথম স্পেলে তাসকিন আহমেদ রীতিমত কাঁপিয়ে দিয়েছেন। প্রথম চার ওভারে মাত্র ছয় রান দেয় নেন দুুই উইকেট। এর চেয়েও বড় ব্যাপার হল, তিনি নিজের পরিকল্পনা মাফিক বোলিং করেছেন।

ইনজুরি থেকে ফিরেছেনে বলেই বোলিংয়ে যথেষ্ট গতি ছিল না। তবে, প্রথম দুই বল ইনসুইঙ্গারের পরে দিয়েছেন আউট স্যুইং। ব্যাটাররা কখনওই তাসকিনের বিপক্ষে সাবলীল ছিলেন না। কামিন্দু মেন্ডিস বা নিশান মাদুশকারা তাসকিনের লেন্থ আর অ্যাকুরেসির কাছেই বিভ্রান্ত হয়েছেন বারবার।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। সেটাও ছিল ওয়ানডে। এরপরই আঘাত হানে ইনজুরি, যা কি না তাসকিন আহমেদের ক্যারিয়ারের নিত্যসঙ্গী।
সেই দু:সময় পেছনে ফেলে তাসকিন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছেন, আরেকবার। পাঁচ ওভার, ১৪ রান আর দুই মেইডেন নিয়ে প্রথম স্পেল শেষ করেন তাসকিন।











