কেন এশিয়া কাপ খেলতে পারেনি নেপাল?

তবে সামনে এখনও বড় সুযোগ আছে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন টিকে আছে নেপালের।

বিশ্ব ক্রিকেটের আগামীর সম্ভাবনা নেপাল ক্রিকেট। গেল ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলে তাঁরা। ভাগ্যের সহায়তা পেলে দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা বাংলাদেশের মত দলকে হারিয়ে দিতে পারত তাঁরা। সেই পারফরম্যান্সের পরও এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে ঠাই হয়নি তাঁদের। তাই, প্রশ্ন উঠতেই পারে।

আট দলের এই আসরে আছে এশিয়ার সব পাঁচ টেস্ট খেলুড়ে দেশ—ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। সঙ্গে সুযোগ পেয়েছে তিন সহযোগী দল—হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। কিন্তু নেই এক সময়ের সাড়া জাগানো সহযোগী দেশ নেপাল। প্রশ্ন উঠছেই—কেন এশিয়া কাপ খেলতে পারল না তারা?

কারণ, ২০২৪ সালের এসিসি প্রিমিয়ার কাপে হোঁচট খায় তাঁরা। ওমানের মাটিতে আয়োজিত সেই টুর্নামেন্টই ছিল সহযোগী দেশগুলোর জন্য বাছাইপর্ব। ১০ দল অংশ নেয়, আর নিয়ম ছিল সোজা—ফাইনালের দুই দল এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের জয়ী দল সরাসরি জায়গা করে নেবে ২০২৫ এশিয়া কাপে।

সেমিফাইনালেই হোঁচট খায় নেপাল। আরব আমিরাতের বিপক্ষে হারে তারা। অন্যদিকে ওমান হারায় হংকংকে। ফলে ফাইনালে জায়গা পায় ইউএই ও ওমান, নিশ্চিত হয় তাদের এশিয়া কাপে খেলা। নেপালের সামনে তখনও একটা সুযোগ ছিল—তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। সেখানেই হংকংয়ের বিপক্ষে শেষ ওভারের থ্রিলারে চার উইকেটে হেরে যায় রোহিত পাওডেলের দল। আর এই হারের কারণেই তিন সহযোগী দলের তালিকায় জায়গা হলো না নেপালের।

২০২৩ সালের এশিয়া কাপে একমাত্র সহযোগী দল হিসেবে ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল নেপাল। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তারা নজর কেড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রায় অঘটন ঘটিয়ে। কিন্তু এবারের এশিয়া কাপে জায়গা হারিয়ে গেছে তাদের।

তবে সামনে এখনও বড় সুযোগ আছে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন টিকে আছে নেপালের। ওমানেই অক্টোবর মাসে বসবে এশিয়া-প্যাসিফিক বাছাইপর্ব। নয় দলের এই লড়াই থেকে সেরা তিনটি দল যাবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে।

Share via
Copy link