২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু ওয়ানডে ক্রিকেটের আকাশে এখনো জমে আছে ঘন মেঘ। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার টিকিট পাওয়া এখন মেহেদী হাসান মিরাজদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব বলছে, বাংলাদেশ এই মুহূর্তে আছে ১০ নম্বরে। নিয়ম বলছে, আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে শীর্ষ আটে থাকতে পারলেই মিলবে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট। পথটা আসলে কতটুকু সহজ বাংলাদেশের সামনে?
২০২৭ সালের আসর বসবে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুয়েতে। স্বাগতিক হিসেবে এই দুই দল সরাসরি খেলবে। তবে হিসাব মতে, যদি স্বাগতিকদের কেউ শীর্ষ আটে থাকে, তাহলে নবম বা দশম স্থানে থাকা দলও সুযোগ পাবে। স্বস্তির বিষয়, দক্ষিণ আফ্রিকা আটের ভেতরেই আছে, তবে নেই জিম্বাবুয়ে। তাই তো ১০ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের জন্য পথ একটু কঠিনই। তবে সেটা কতটুকু কঠিন?
বাংলাদেশের সামনে আছে ২৩টি ওয়ানডে ম্যাচ। প্রতিটি ম্যাচ এখন বিশ্বকাপের সিঁড়ি। ঘরের মাঠে সিরিজ রয়েছে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে। বিদেশ সফরে যেতে হবে আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের মাটিতে। কাগজে-কলমে কঠিন লড়াই, কিন্তু সুযোগও এখানেই।

বাংলাদেশের জন্য প্রথম লক্ষ্য তাই, হোম সিরিজে আধিপত্য। ঘরের কন্ডিশন, চেনা উইকেটকে পুঁজি করেই পয়েন্ট তুলতে হবে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয় বড় বোনাস হতে পারে। আর ভারত কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মতো শীর্ষ দলের বিপক্ষে অন্তত একটি করে ম্যাচ জিতলেও রেটিং পয়েন্টে বড় উত্থান সম্ভব।
দ্বিতীয় লক্ষ্যটা অ্যাওয়ে সিরিজে ভুল করলে চলবে না। প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে, কাজটা তাই তুলনামূলক সহজ। তবে ভয়ও আছে, এখানে পা হড়কালেই বাড়বে বিপদ।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এখন ধারাবাহিকতা। বড় দলগুলোর বিপক্ষে যতটা সম্ভব জেতার জন্য লড়ে যাওয়া। ঘরের মাঠের সুযোগগুলো যথাসম্ভব লুফে নিতে হবে মিরাজদের।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের মঞ্চে সরাসরি জায়গা পেতে হলে এখন থেকেই শুরু করতে হবে নিখুঁত অভিযান। তাই তো প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল, প্রতিটি জয়ই বিশ্বকাপের দিকে এক ধাপ এগোনো।











