স্বার্থপর ব্যাটিং গ্রেট

১৯৮১-৮২ মৌসুমে ইডেন গার্ডেন্সে তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামেননি। বদলী নামাতে বাধ্য হয় ইংল্যান্ড। ইংলিশরা যখন ফিল্ডিংয়ে, তখন তাঁকে গলফ খেলতে দেখা যায়। এরপর তাঁকে আর জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করা হয়নি। পরে তিনি বলেছিলেন, ওই সময় তাঁর…

উত্থান, পতন, মৃত্যু ও শেষকৃত্য

২০০৩ সালের কথা। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক ছিল কেনিয়া। ঘরের মাঠের সৌভাগ্য আর কার্যকর কিছু পারফরম্যান্সের সুবাদে দলটা চলে গিয়েছিল সেমিফাইনালে। শেষ চারের ম্যাচে স্রেফ ভাগ্যের দোষ আর অভিজ্ঞতার অভাবে পারেননি। সেটা হতে পারতো, কেনিয়ার…

বিদ্যুতের ঝলক ও পাঁচ রানের আক্ষেপ

বিদ্যুৎ বাংলাদেশ ক্রিকেটের দু’টো আবেগের জায়গার সাথে জড়িয়ে আছেন। বিশ্বকাপ ক্রিকেট ও টেস্ট ক্রিকেট - বাংলাদেশের কৌলিন্যে নাম লেখানোর দুই মঞ্চেই প্রথম ডেলিভারিটা ব্যাট দিয়ে মোকাবেলা করেন তিনি। এই রেকর্ডটা কখনোই ভাঙার নয়!

একটি ক্ষণস্থায়ী ঘূর্ণিঝড়

আশির দশক। ইন্দোরে ট্রায়াল চলছে। ১৪ বছরের এক ছেলে এক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে এসেছেন নির্বাচকদের সামনে। ‘আমি ভারতের হযে খেলবো’ - শুনে নির্বাচকরা হেসেই উড়িয়ে দিলেন। শৈশবের সেই তাচ্ছিল্যে ভেঙে পড়লেন না নরেন্দ্র হিরওয়ানি।

ধোনির রাগ-বৃত্তাত্ত

ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক তিনি। আইসিসির তিনটি বড় শিরোপার সবগুলোই তিনি জিতেছেন অধিনায়ক হিসেবে। সেই অর্থে তিনি বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা অধিনায়ক।

বাবর দ্য গ্রেট

পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে নান্দনিক ব্যাটসম্যানের সংখ্যা নেহায়েৎ কম নয়। সেই তালিকায় সর্বশেষ আলোচিত সংযোজন তিনি। যোগ্যতাও কম নয়, সেটা যে ফরম্যাটই হোক না কেন।

কেনিয়ার ‘বিপ্লবী’ নেতা

সুপার সিক্সে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন, তখনকার প্রবল পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসিফ যা করেছিলেন, এককথায় অনবদ্যই বলতে হবে। ৮ ওভার বোলিংয়ের পর আসিফের ফিগার ছিল ৬ মেইডেন, ২ রান ও ৩ উইকেট! আসিফ সেদিন যা করেছিলেন, সেটা বিশ্বের শীর্ষ দলগুলোও…

গতিবান-রূপবান

শোয়েব আখতার ছিলেন স্বয়ং ইমরান খান কিংবা ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনুসের যোগ্য উত্তরসুরী ছিলেন। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে তো তাঁকে জায়গা দিতে গিয়ে প্রায় খেলতেই পারেননি ওয়াকার ইউনুস। তারপরও শেষ বেলায় তাঁকে বোঝার জন্য শুধু পরিসংখ্যানের আশ্রয় নিলে চলে না।…

নায়ক নয়, খলনায়ক!

ব্রাজিলের হয়ে যখন অল্প কিছুদিন স্বর্ণ সময়ে ছিলেন, তখন রীতিমত রোনালদো ফেনোমেনোনের নাম ভুলিয়ে দিয়েছিলেন সমর্থকদের মন থেকে। সেই রবিনহো ৩৬ বয়সে সেই স্যান্তোসেই ক্যারিয়ারটা শেষ করার সিদ্ধান্ত নিলেন, তখন ক্লাবটি থেকে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন মাসে মাসে…

আইপিএল থেকে রাজনীতির ময়দানে

ক্রিকেটারদের জীবনটা কেবল বাইশ গজেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশেষ করে খেলোয়াড়ী জীবন শেষ করার পর একেকজনের জীবন একেক দিনে মোড় নেই। অনেক রাজনীতির মাঠেও পা রাখেন।