নেতা রাহুল ফিরছেন আবারও!

কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা-শূন্য দলের হাল ধরবেন কে? উত্তর খুঁজতে সময় নেয়নি ম্যানেজমেন্ট, ভরসা রাখা হয়েছে লোকেশ রাহুলের উপর।

অশান্তির গুমোট বাতাস ভারী করে রেখেছে ভারতের ক্রিকেট দলকে। অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওয়ানডেতে নাস্তানাবুদ হওয়া, ঘরের মাঠে টেস্ট হারের ক্ষত। এর মাঝে নিয়মিত অধিনায়ক শুভমান গিল ইনজুরিতে মাঠের বাইরে। কঠিন পরিস্থিতিতে নেতা-শূন্য দলের হাল ধরবেন কে? উত্তর খুঁজতে সময় নেয়নি ম্যানেজমেন্ট, ভরসা রাখা হয়েছে লোকেশ রাহুলের উপর।

চাপের মুহূর্তে মাথা ঠাণ্ডা রাখা, যেকোনো অবস্থায় শান্ত থাকার ক্ষমতা রাহুলকে বিশেষ বানিয়েছে। নেতা হওয়ার সমস্ত গুণই রয়েছে তাঁর মধ্যে। রোহিতের পর ওয়ানডে দলের নেতা হিসেবে শুভমান গিলের সাথে রাহুলের নামটা উঠেছিল জোরালোভাবে। তবে সে যাত্রায় গিলের সাথে রেসে টিকে থাকতে পারেননি।

তবে এবার সুযোগটা পেলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ওয়ানডে সিরিজে তাঁর নেতৃত্বে খেলবেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা। অবশ্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাঁর অধিনায়কত্বের অধ্যায়টা একেবারে নতুন নয়। এর আগে ১২ ম্যাচে পালন করেছেন নেতার দায়িত্ব। আট ম্যাচেই জয় পেয়েছে দল, জেতার হার ৬৬.৬৬ শতাংশ।

সর্বশেষ এই ভূমিকায় তাঁকে দেখা গিয়েছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, প্রতিপক্ষ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাকেই পেয়েছিলেন তিনি। ভারত সিরিজ জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। তাই তো নেতা হিসেবে রাহুলের সফলতাটা বেশ নজরকাড়ায় বটে।

ব্যাট হাতেও বর্তমানে ভারত দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নামটা ওই রাহুলই। বিপদে দলের হাল ধরতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। মাঝ সমুদ্রে ঝড়ের কবলে পড়া দলের নাবিক হিসেবে তো রাহুলকেই মানায়। এখন দেখার তাঁর হাত ধরে আফ্রিকা-বধের পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়ন করতে পারে টিম ইন্ডিয়া।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link