রাহুল-ধোনিকে পেছনে ফেলে দিলেন সালমান

কিংবদন্তিদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন সালমান আলী আঘা। সেই তালিকায় আছে রাহুল দ্রাবিড়, মোহাম্মদ ইউসুফ ও মহেন্দ্র সিং ধোনির মত বড় বড় সব নাম।

কিংবদন্তিদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন সালমান আলী আঘা। সেই তালিকায় আছে রাহুল দ্রাবিড়, মোহাম্মদ ইউসুফ ও মহেন্দ্র সিং ধোনির মত বড় বড় সব নাম। সালমানের অধীনে পাকিস্তান দল খুব বেশি সফলতার দেখা না পেলেও, সালমান আলী আঘা ঠিকই ইতিহাসের পাতায় নিজের নামটি তুলে ফেলেছেন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচটি ছিল চলতি বছরে সালমান আলী আঘার ৫৪তম ম্যাচ। অর্থাৎ এই বছরে সবগুলো ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ৫৪ ম্যাচে তিনি এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এক পঞ্জিকাবর্ষে এতগুলো ম্যাচ এর আগে খেললেননি কোন ক্রিকেটার। সর্বোচ্চ ৫৩টি ম্যাচ খেলার রেকর্ড ছিল পূর্বে। যার ভাগিদার ছিলেন আবার তিনজন।

সর্বপ্রথম এক পঞ্জিকাবর্ষে ৫৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার রাহুল দ্রাবিড়। ১৯৯৯ সালে তিনি ৫৩টি ম্যাচে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ময়দানে মাঠে নেমেছিলেন। বলে রাখা ভাল, সেই সময়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ছিল না কোন অস্তিত্ব। ওই বছর রাহুল দ্রাবিড় দশটি টেস্ট ম্যাচ খেলার পাশাপাশি, ৪৩টি ওয়ানডে ম্যাচে ছিলেন ভারতের একাদশে।

এর ঠিক এক বছর পরই এই রেকর্ডে ভাগ বসান পাকিস্তানের সাবেক তারকা ব্যাটার মোহাম্মদ ইউসুফ। ২০০০ সালে তিনিও ৫৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন। তার সময়েও ছিল না টি-টোয়েন্টির আধিপত্য। ১২টি টেস্ট ছাড়াও ৪১টি ওয়ানডে খেলেছিলেন তিনি পাকিস্তানের জার্সি গায়ে।

এরপর দীর্ঘ সাত বছর ধরে এই দুইজনের রেকর্ডে কেউ ভাগ বসায়নি। ২০০৭ সালে তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই তালিকায় যুক্ত হন ভারতের সর্বজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে মোট ৫৩ ম্যাচ খেলেছিলেন ধোনি। আট টেস্ট, ৩৭ ওয়ানডে ও ৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন ধোনি।

এই বছরে সকলের রেকর্ড ভেঙে এগিয়ে গেছেন সালমান আলী আঘা। পাঁচ টেস্ট, ১৭টি ওয়ানডের সাথে ৩২ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন সালমান। সংখ্যাটা বাড়িয়ে নেওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। তার গড়া রেকর্ড কতদিন অবধি টিকে থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের বর্তমান দুনিয়াতে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সত্যিই প্রশংসনীয়। ইনজুরি মুক্ত থাকাও বেশ ইতিবাচক।

Share via
Copy link