রিশাদ-আলিসের মাস্টারক্লাস বোলিং!

দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে রিশাদ হোসেন আর আলিস আল ইসলামের মাস্টারক্লাস। ঘূর্ণির কারিশমা দেখিয়ে দুজনে বাগিয়েছেন সাত উইকেট। বল হাতে যে রহস্য দাঁড় করিয়েছেন, তা আর ভেদ করতে পারেনি প্রোটিয়া ব্যাটাররা। অগত্যা মেনে নিতে হয়েছে পরাজয়ও।

দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে রিশাদ হোসেন আর আলিস আল ইসলামের মাস্টারক্লাস। ঘূর্ণির কারিশমা দেখিয়ে দুজনে বাগিয়েছেন সাত উইকেট। বল হাতে যে রহস্য দাঁড় করিয়েছেন, তা আর ভেদ করতে পারেনি প্রোটিয়া ব্যাটাররা। অগত্যা মেনে নিতে হয়েছে পরাজয়ও।

আলিস আল ইসলামের জন্য ব্যাপারটা একটু আলাদা। মিস্ট্রি স্পিনার হিসেবে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের আঙিনা তৈরি করেছেন একটু ভিন্নভাবে। যেখানে কেবল তাঁর রাজত্ব। আফসোসের ব্যাপার এই, জাতীয় দলে খেলা হয়ে ওঠেনি। এর পেছনে ফর্মহীনতা বা তাঁর অপারগতা দায়ী নয়, সবচেয়ে আক্ষেপের বিষয় ইনজুরি তাঁকে মাঠে ফিরতে দেয় না।

সেই তিনি ফিরলেন আফ্রিকার মাটিতে। বল হাতে তিন উইকেট তুলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জুটি ভাঙার কাজটা করেছেন। টিপিক্যাল আলিসকে দেখা গেছে এই ম্যাচে। ১০ ওভারে মাত্র ৩৫ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন। বল হাতে বেশ কৃপণ, এই সুখ্যাতিটা বজায় রাখলেন এই ম্যাচেও।

অন্যদিকে রিশাদ হোসেন আরও এক ধাপ ওপরে। জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। এখানে এসেছেন একটু অভিজ্ঞতার সঞ্চার করতে। ২০২৭ বিশ্বকাপে আফ্রিকার মাটি হবে পরীক্ষাকেন্দ্র। তবে রিশাদ যে রাজ করবেন, তারই আগাম বার্তা দিলেন।

১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে নামের পাশে চার উইকেট। খরচার খাতায় সংখ্যাটা ৪৫। আফ্রিকার মিডল অর্ডারের কোমর এক রিশাদই ভেঙে দিয়েছেন। আলিস আর রিশাদের এই জুটির খপ্পরে পড়ে আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি আফ্রিকা। ১৮২ রানের তাদের ইনিংসের যবনিকা পতন ঘটে। বাংলাদেশও জয় পায় বড়সড় ব্যবধানে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link