শ্রীলঙ্কার ফাইনালের স্বপ্ন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট নেই, ড্রেসিংরুমে চাপা উৎকণ্ঠা। ঠিক এমন সময় ক্রিজে জুটি বাঁধেন হারশিথা সামারাবিক্রমা ও কাভিশা দিলহারি। পঞ্চম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি, আর এই জুটিই বদলে দেয় ম্যাচের রং। তাদের হাত ধরেই শেষ পর্যন্ত ফাইনালের টিকিট পায় শ্রীলঙ্কা।
হারশিথা নেমেছিলেন পাঁচে, দলের রান তখন মাত্র ৩১। শুরুতে সময় নিয়েছেন, তারপর ধীরে ধীরে হাত খুলেছেন। ৩১ বলে ৩৬ রান করে আউট হন, ইনিংসে বাউন্ডারি মাত্র দুটি, ছক্কা নেই একটাও। রান তোলার গতির চেয়ে উইকেটে টিকে থাকাটাই ছিল তার কাজ, আর সেটা তিনি করেছেন নিখুঁতভাবে।
২০২৪ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালেও ভারতের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৯ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন হারশিথা। বড় মঞ্চে তার এই ধারাবাহিকতা নতুন কিছু নয়।

কাভিশা দিলহারি খেলেন আরও ধৈর্য নিয়ে, ৩৩ বলে ৩৩ রান। চারটি বাউন্ডারি মারলেও শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি ডট বল খেলতে হয়েছে তাকে, উইকেটে থিতু হতে সময় লেগেছে। হারশিথা আউট হওয়ার পর তিনিও ফাতিমা সানার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। বলটা প্যাডে লাগার আগে গ্লাভসে লেগেছিল কিনা তা নিয়ে সংশয় ছিল, তবে আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন আর কাভিশাকে মাঠ ছাড়তে হয়।
দুজনেই ফিরে গেছেন শেষ পর্যন্ত , কিন্তু ততক্ষণে কাজের কাজটা হয়ে গেছে। তাদের গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে শেষ দিকটা সহজেই সামলে নেন নিলাকশিকা সিলভা ও কৌশানি নুথিয়াঙ্গানা। স্কোরবোর্ডে হয়তো তাদের নাম শেষ মুহূর্তের নায়ক হিসেবে লেখা থাকবে, কিন্তু ম্যাচের আসল মোড়টা ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন হারশিথা আর কাভিশাই।












