নারী ক্রিকেট সাজাতে হবে নতুনভাবে!

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট অবহেলিত, এরা পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় না, এদের ক্যাম্প হয় না, সুযোগ-সুবিধা নেই, বেতন-ভাতা নিয়েও ওঠে অনেক কথা। এ যুগ হয়েছে বাসি। বছর তিনেক আগে এসব বললে হয়তো পার পাওয়া যেত, তবে বর্তমানের বাস্তবতা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরেও উন্নতি নেই দেশের ক্রিকেটে। নতুন করে ঢালাওভাবে সাজাতে হবে দলটাকে।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট অবহেলিত, এরা পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় না, এদের ক্যাম্প হয় না, সুযোগ-সুবিধা নেই, বেতন-ভাতা নিয়েও ওঠে অনেক কথা। এ যুগ হয়েছে বাসি। বছর তিনেক আগে এসব বললে হয়তো পার পাওয়া যেত, তবে বর্তমানের বাস্তবতা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরেও উন্নতি নেই দেশের ক্রিকেটে। নতুন করে ঢালাওভাবে সাজাতে হবে দলটাকে।

সিমপ্যাথির জায়গা ছিল নারী ক্রিকেটে। অন্যদের তুলনায় আমরা কেন পিছিয়ে, অনেক কারণ দাঁড় করানো হতো। সেসব মিথ্যেও নয়। তিন-চার বছর আগে চিত্রটা বেশ করুণ ছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটারদের জন্য। তবে সেসবের দোহাই দিয়ে এখন আর পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

এই যে সেমিফাইনাল থেকেই বাংলাদেশকে বিদায় নিতে হয়েছে। খালি চোখে দেখলে এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল পর্যন্ত, বাস্তবতা অবশ্য ভিন্ন। সেমিফাইনাল পর্যন্ত কোনো বড় দলের মুখোমুখি হওয়ার দরকার পড়ে না। হংকং, আরব আমিরাত কোয়ালিটির দলকে হেসেখেলেই হারানো সম্ভব। তবে একটু ভালো দলের সামনে পড়লেই বিপত্তির শেষ নেই। ভারতের বিপক্ষে সেই পরীক্ষার সম্মুখীন হয়ে ফেল করেছে বাংলাদেশ।

সমস্যার জায়গা অনেক। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং, সবখানেই। তবে টপ অর্ডার যেভাবে দৃষ্টিকটূ ব্যাটিং করে, সেটা নিয়ে এবার ভাবতে হবে বাংলাদেশকে। ১০০ স্ট্রাইক রেটের নিচে ব্যাট করে টি-টোয়েন্টিতে টিকে থাকার যুগ এখন আর নেই। তবে বাংলাদেশ এখনও সেই ভাবনাতেই পড়ে আছে। ১০০-১১০ রানের স্কোর নিয়ে যে ফাইট করা সম্ভব না, তা ক্রিকেটারদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া উচিত।

দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিরও সময় শেষ। দীর্ঘদিন ধরেই দলকে সার্ভ করেছেন। তবে এই টি-টোয়েন্টির জামানায় তিনি চলেন না। পরিবর্তনটা এখানেও প্রয়োজন। সেই সঙ্গে যেসব ক্রিকেটারদের স্ট্রাইক রেট ৭০-৮০ এর আশেপাশে, তাদের নিয়েও ভাবনার সময় এসেছে। এভাবে জোড়াতালি চলা যায়, তবে মাঝসমুদ্রে যখন ঝড় উঠবে, সেটার সামনে দাঁড়ানোর সাধ্য আধফুটো নৌকার থাকবে না।

নারী ক্রিকেটে এখন সব আছে। ম্যাচ খেলার সংখ্যা বেড়েছে, ক্যাম্প হয় নিয়মিত, ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা নিয়েও চিন্তা করার দিন শেষ হয়েছে। তবে সব হলেও একটা জিনিসই হয়নি, উন্নতি। এবার সেটার পেছনে ছুটতে হবে ক্রিকেট বোর্ডকে। কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নতুন করে এই দলটাকে ঢেলে সাজাতে না পারলে, এশিয়া কাপের সেমিফাইনালই সর্বোচ্চ দৌড় বাংলাদেশের জন্য।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link